০১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

ঊর্ধ্বমুখী দামে সব পণ্যেই অস্বস্তি

দেশের বাজারে চাল-ডাল, চিনি, মুরগি, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ-মরিচ, মাছ, শাক-সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস। বেশিরভাগ পণ্যই কিনতে হচ্ছে চড়া মূল্যে। সাধারণ মানুষ বাজারে গিয়ে পড়ছে অস্বস্তিতে।

শুক্রবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আলু বাদে বেশিরভাগ সবজিই এখন কিনতে হচ্ছে প্রতিকেজি ৬০ টাকার ওপরে। এর মধ্যে কয়েকটি সবজির দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকারও বেশি।

বেশকিছু সবজি কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়েছে। প্রকারভেদে পাতাকপি ও ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। শসা ৮০-৯০ টাকা কেজি। লম্বা বেগুন কেজিতে ৯০ টাকা, গোল বেগুন ১৩০ টাকা।

এছাড়া টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি। শিমের কেজি ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাল কুমড়া ও লাউ আকারভেদে প্রতিটি ৬০-৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজিতে ৫০-৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০, পটল ৬০, পেঁপে ৫০-৬০, বরবটি ৮০, ঢেঁড়স ৬০-৭০, কচুর লতি ৮০ ও ধুন্দুল ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়ে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। রসুনের কেজি ৪০-৪৫ টাকা। চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকা। আদা প্রকারভেদে ১১০-১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

কয়েকটি বাজারে দেখা গেছে, ব্রয়লার এখন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। সোনালী জাত ৩০০ টাকা আর দেশি মুরগি ৫০০ টাকায়। গরুর মাংস কেজিতে ৬৮০-৭০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৮৫০-৯০০ টাকা।

এদিকে, গত ৩ দিনে মিল পযার্য়ে মোটা চাল ৫০ কেজির বস্তায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে। ফলে খুচরা বাজারে খোলা চালের দামও বেড়েছে ১ থেকে ২ টাকা।

বিআর-২৮ জাতের চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পায়জাম ও গুটি স্বর্ণা জাতের চাল ৫৩ থেকে ৫৬ টাকা।

গত ৩-৪ দিনে ডালের দামও কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি দেশি মশুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩০ টাকা। আমদানি করা ডাল ১০০ থেকে ১০৫ টাকা।

অন্যদিকে, এক মাস আগে ভোজ্যতেলের দাম কমেছিল। এরই মধ্যে ফের কেজিতে ১৫ টাকা করে দাম বাড়ানোর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। সেজন্য বেশিরভাগ দোকানে আগের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭৮ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৫৮ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

ঊর্ধ্বমুখী দামে সব পণ্যেই অস্বস্তি

প্রকাশিতঃ ১১:৩৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ নভেম্বর ২০২২

দেশের বাজারে চাল-ডাল, চিনি, মুরগি, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ-মরিচ, মাছ, শাক-সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস। বেশিরভাগ পণ্যই কিনতে হচ্ছে চড়া মূল্যে। সাধারণ মানুষ বাজারে গিয়ে পড়ছে অস্বস্তিতে।

শুক্রবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আলু বাদে বেশিরভাগ সবজিই এখন কিনতে হচ্ছে প্রতিকেজি ৬০ টাকার ওপরে। এর মধ্যে কয়েকটি সবজির দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকারও বেশি।

বেশকিছু সবজি কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়েছে। প্রকারভেদে পাতাকপি ও ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। শসা ৮০-৯০ টাকা কেজি। লম্বা বেগুন কেজিতে ৯০ টাকা, গোল বেগুন ১৩০ টাকা।

এছাড়া টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি। শিমের কেজি ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাল কুমড়া ও লাউ আকারভেদে প্রতিটি ৬০-৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজিতে ৫০-৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০, পটল ৬০, পেঁপে ৫০-৬০, বরবটি ৮০, ঢেঁড়স ৬০-৭০, কচুর লতি ৮০ ও ধুন্দুল ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়ে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। রসুনের কেজি ৪০-৪৫ টাকা। চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকা। আদা প্রকারভেদে ১১০-১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

কয়েকটি বাজারে দেখা গেছে, ব্রয়লার এখন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। সোনালী জাত ৩০০ টাকা আর দেশি মুরগি ৫০০ টাকায়। গরুর মাংস কেজিতে ৬৮০-৭০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৮৫০-৯০০ টাকা।

এদিকে, গত ৩ দিনে মিল পযার্য়ে মোটা চাল ৫০ কেজির বস্তায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে। ফলে খুচরা বাজারে খোলা চালের দামও বেড়েছে ১ থেকে ২ টাকা।

বিআর-২৮ জাতের চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পায়জাম ও গুটি স্বর্ণা জাতের চাল ৫৩ থেকে ৫৬ টাকা।

গত ৩-৪ দিনে ডালের দামও কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি দেশি মশুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩০ টাকা। আমদানি করা ডাল ১০০ থেকে ১০৫ টাকা।

অন্যদিকে, এক মাস আগে ভোজ্যতেলের দাম কমেছিল। এরই মধ্যে ফের কেজিতে ১৫ টাকা করে দাম বাড়ানোর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। সেজন্য বেশিরভাগ দোকানে আগের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭৮ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৫৮ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।