১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ আবারও হরমুজ পার হয়নি এমভি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে आज প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

তারেক রহমানের দাবি: প্রচলিত রাজনীতির পরিমাণে পরিবর্তন আনা জরুরি

প্রতিরোধ, প্রতিহিংসা এবং কথামালার রাজনীতির পরিবর্তে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ ও কার্যকরী বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রচলিত রাজনীতির ধারায় গুণগত পরিবর্তন ঘটাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তার বক্তব্য ব্যক্ত করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, ‘প্রত্যেক মা-বাবা চান তাদের সন্তানরা একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ পাবে। তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামী দিনের জন্য এমন রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণ করছে যা সত্যিকার অর্থে বাস্তবধর্মী ও কার্যকর। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে আমাদের প্রচলিত ধারার রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। বিএনপি মনে করে, প্রতিরোধ, প্রতিহিংসা ও গালিগালাজের মাধ্যমে রাজনীতি বদলে কিছুই হবে না। বরং বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজনীতির ধারা উন্নত করা সম্ভব। তারেক রহমান আরো জানান, বর্তমানে বিশ্ব এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে—আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগ। এই যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে আমাদের পিছিয়ে থাকা চলবে না। জাতির বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য বিভিন্ন সেক্টরকে চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করছে বিএনপি। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর বা ড্রপআউটের ক্ষেত্রে তাদের জন্য সুবিধাজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে, পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকার ফেব্রুয়ারি মাসে সম্ভাব্য জাতীয় নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে তাদের এজেন্ডা ও মানিফেস্টো বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে। তবে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে কিছু গণতন্ত্রপন্থী দলের নেতার মতামত বিশ্লেষণ সৃষ্টি করেছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অশুভ সংকেত। তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে বলেন, দূরত্ব সৃষ্টি হলে ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরায় মাথাচাড়া দেওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে, আর সেটি দেশের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তিনি সবাইকে সতর্ক ও সাবধান থাকতে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্রের উন্নয়নের জন্য প্রত্যেকে সচেতন থাকুন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

তারেক রহমানের দাবি: প্রচলিত রাজনীতির পরিমাণে পরিবর্তন আনা জরুরি

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

প্রতিরোধ, প্রতিহিংসা এবং কথামালার রাজনীতির পরিবর্তে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ ও কার্যকরী বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রচলিত রাজনীতির ধারায় গুণগত পরিবর্তন ঘটাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তার বক্তব্য ব্যক্ত করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, ‘প্রত্যেক মা-বাবা চান তাদের সন্তানরা একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ পাবে। তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামী দিনের জন্য এমন রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণ করছে যা সত্যিকার অর্থে বাস্তবধর্মী ও কার্যকর। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে আমাদের প্রচলিত ধারার রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। বিএনপি মনে করে, প্রতিরোধ, প্রতিহিংসা ও গালিগালাজের মাধ্যমে রাজনীতি বদলে কিছুই হবে না। বরং বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজনীতির ধারা উন্নত করা সম্ভব। তারেক রহমান আরো জানান, বর্তমানে বিশ্ব এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে—আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগ। এই যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে আমাদের পিছিয়ে থাকা চলবে না। জাতির বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য বিভিন্ন সেক্টরকে চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করছে বিএনপি। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর বা ড্রপআউটের ক্ষেত্রে তাদের জন্য সুবিধাজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে, পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকার ফেব্রুয়ারি মাসে সম্ভাব্য জাতীয় নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে তাদের এজেন্ডা ও মানিফেস্টো বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে। তবে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে কিছু গণতন্ত্রপন্থী দলের নেতার মতামত বিশ্লেষণ সৃষ্টি করেছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অশুভ সংকেত। তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে বলেন, দূরত্ব সৃষ্টি হলে ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরায় মাথাচাড়া দেওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে, আর সেটি দেশের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তিনি সবাইকে সতর্ক ও সাবধান থাকতে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্রের উন্নয়নের জন্য প্রত্যেকে সচেতন থাকুন।