০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মৎস্য অধিদপ্তরের অফিস প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণভাবে তামাকমুক্ত করতে সভা অনুষ্ঠিত

অধূমপায়ীদের সুরক্ষা ও তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিরোধে মৎস্য অধিদপ্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এই সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় অফিসের প্রাঙ্গণকে শতভাগ তামাকমুক্ত রাখা হবে। সভাটি আজ বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আব্দুর রউফ। এতে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য), প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, উপপরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক ও উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা সহ প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান মাসুদ। তিনি তামাকজাত দ্রব্যের ভয়াবহ ক্ষতিকর দিক এবং এর বহুমাত্রিক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাবিনাজের পরিচালক সীমা দাস সীমু তার বক্তব্যে ধোঁয়ামুক্ত ও ধোঁয়াযুক্ত তামাকজাত দ্রব্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। একই সাথে গ্রামীণ তামাক চাষ ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে Shারমিন কবীর বীণা মতামত ব্যক্ত করেন।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা অফিসের প্রাঙ্গণকে ধূমপান মুক্ত রাখতে নানা গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রধান সুপারিশগুলো হলো:
১. অফিসের প্রাঙ্গণে ধূমপানের জন্য কোনো স্মোকিং জোন থাকবে না।
২. ক্যান্টিনে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে।
৩. দেশব্যাপী মৎস্য অধিদপ্তরের সমস্ত অফিস প্রাঙ্গণকে শতভাগ তামাকমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
৪. সব অফিসের প্রবেশদ্বারে ‘তামাকমুক্ত এলাকা’ লেখা সাইনেজ লাগানো হবে।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা এ ধরণের পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাই একসঙ্গে কাজ করার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মৎস্য অধিদপ্তরের অফিস প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণভাবে তামাকমুক্ত করতে সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অধূমপায়ীদের সুরক্ষা ও তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিরোধে মৎস্য অধিদপ্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এই সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় অফিসের প্রাঙ্গণকে শতভাগ তামাকমুক্ত রাখা হবে। সভাটি আজ বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আব্দুর রউফ। এতে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য), প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, উপপরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক ও উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা সহ প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান মাসুদ। তিনি তামাকজাত দ্রব্যের ভয়াবহ ক্ষতিকর দিক এবং এর বহুমাত্রিক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাবিনাজের পরিচালক সীমা দাস সীমু তার বক্তব্যে ধোঁয়ামুক্ত ও ধোঁয়াযুক্ত তামাকজাত দ্রব্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। একই সাথে গ্রামীণ তামাক চাষ ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে Shারমিন কবীর বীণা মতামত ব্যক্ত করেন।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা অফিসের প্রাঙ্গণকে ধূমপান মুক্ত রাখতে নানা গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রধান সুপারিশগুলো হলো:
১. অফিসের প্রাঙ্গণে ধূমপানের জন্য কোনো স্মোকিং জোন থাকবে না।
২. ক্যান্টিনে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে।
৩. দেশব্যাপী মৎস্য অধিদপ্তরের সমস্ত অফিস প্রাঙ্গণকে শতভাগ তামাকমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
৪. সব অফিসের প্রবেশদ্বারে ‘তামাকমুক্ত এলাকা’ লেখা সাইনেজ লাগানো হবে।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা এ ধরণের পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাই একসঙ্গে কাজ করার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।