০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

মৎস্য অধিদপ্তরের অফিস প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণভাবে তামাকমুক্ত করতে সভা অনুষ্ঠিত

অধূমপায়ীদের সুরক্ষা ও তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিরোধে মৎস্য অধিদপ্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এই সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় অফিসের প্রাঙ্গণকে শতভাগ তামাকমুক্ত রাখা হবে। সভাটি আজ বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আব্দুর রউফ। এতে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য), প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, উপপরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক ও উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা সহ প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান মাসুদ। তিনি তামাকজাত দ্রব্যের ভয়াবহ ক্ষতিকর দিক এবং এর বহুমাত্রিক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাবিনাজের পরিচালক সীমা দাস সীমু তার বক্তব্যে ধোঁয়ামুক্ত ও ধোঁয়াযুক্ত তামাকজাত দ্রব্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। একই সাথে গ্রামীণ তামাক চাষ ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে Shারমিন কবীর বীণা মতামত ব্যক্ত করেন।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা অফিসের প্রাঙ্গণকে ধূমপান মুক্ত রাখতে নানা গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রধান সুপারিশগুলো হলো:
১. অফিসের প্রাঙ্গণে ধূমপানের জন্য কোনো স্মোকিং জোন থাকবে না।
২. ক্যান্টিনে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে।
৩. দেশব্যাপী মৎস্য অধিদপ্তরের সমস্ত অফিস প্রাঙ্গণকে শতভাগ তামাকমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
৪. সব অফিসের প্রবেশদ্বারে ‘তামাকমুক্ত এলাকা’ লেখা সাইনেজ লাগানো হবে।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা এ ধরণের পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাই একসঙ্গে কাজ করার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

মৎস্য অধিদপ্তরের অফিস প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণভাবে তামাকমুক্ত করতে সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অধূমপায়ীদের সুরক্ষা ও তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব প্রতিরোধে মৎস্য অধিদপ্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এই সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় অফিসের প্রাঙ্গণকে শতভাগ তামাকমুক্ত রাখা হবে। সভাটি আজ বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আব্দুর রউফ। এতে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য), প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, উপপরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক ও উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা সহ প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান মাসুদ। তিনি তামাকজাত দ্রব্যের ভয়াবহ ক্ষতিকর দিক এবং এর বহুমাত্রিক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাবিনাজের পরিচালক সীমা দাস সীমু তার বক্তব্যে ধোঁয়ামুক্ত ও ধোঁয়াযুক্ত তামাকজাত দ্রব্যের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। একই সাথে গ্রামীণ তামাক চাষ ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে Shারমিন কবীর বীণা মতামত ব্যক্ত করেন।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা অফিসের প্রাঙ্গণকে ধূমপান মুক্ত রাখতে নানা গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রধান সুপারিশগুলো হলো:
১. অফিসের প্রাঙ্গণে ধূমপানের জন্য কোনো স্মোকিং জোন থাকবে না।
২. ক্যান্টিনে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে।
৩. দেশব্যাপী মৎস্য অধিদপ্তরের সমস্ত অফিস প্রাঙ্গণকে শতভাগ তামাকমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
৪. সব অফিসের প্রবেশদ্বারে ‘তামাকমুক্ত এলাকা’ লেখা সাইনেজ লাগানো হবে।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা এ ধরণের পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাই একসঙ্গে কাজ করার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।