০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ বিশ্বে শান্তি ও কল্যাণের পথ দেখাতে পারে

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুপম জীবনাদর্শ, সর্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহ অনুসরণ আজকের বিশ্বে – যা দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের মধ্যে ভরা – শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে। তিনি আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বাণীতে এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, ‘মহানবীর আদর্শ ও সুন্নাহ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়, যা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ পৃথিবীর শান্তি ও সাফল্য আসে।’ ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) পৃথিবীর মুসলমানদের জন্য বিশেষ পবিত্র ও মহিমান্বিত একটি দিন, যা মহানবীর জন্ম ও ওফাতের পবিত্র স্মৃতি বহন করে। তিনি দেশবাসী ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে এই মাহফিলে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’, অর্থাৎ সমগ্র বিশ্বে রহমত। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে মানবজাতির হেদায়েত ও মুক্তির জন্য প্রেরণ করেছেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি” (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)। মহান নবী দুনিয়ায় এসেছিলেন ‘সিরাজাম মুনিরা’, অর্থাৎ আলোকোজ্জ্বল প্রদীপ্ত দৃষ্টান্তের মতো, যা মানুষের কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার, দাসত্ব ও পাপাচারের অন্ধকার দূর করে শান্তি, প্রগতি ও কল্যাণের বার্তা পৌঁছে দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর প্রতি অশেষ আনুগত্য, ভালোবাসা, অসীম দয়া, মহৎ গুণাবলি ও সুন্দর চরিত্রের জন্য কোরআনে মহানবীর জীবনকে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ’—অর্থাৎ সুন্দরতম আদর্শ বলা হয়েছে। তিনি বিশ্বমানবতার জন্য অত্যন্ত অনিন্দ্য সুন্দর শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন, যা প্রতিটি যুগ ও জাতির জন্য মুক্তির দিশারী।

প্রফেসর ইউনূস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) সকলের মাঝে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক—এই কামনা করে বলেন, ‘সমগ্র মুসলিম সমাজের ঐক্য আরও সুসংহত হোক। মহানবীর জীবনাদর্শকে অনুসরণ করে আমরা এ জীবনের পাশাপাশি পরকালীন জীবনেও কল্যাণ ও মুক্তি পাবো। এই প্রত্যাশায় তিনি সকলের জন্য শান্তি, বিপদ থেকে মুক্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আমিন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ বিশ্বে শান্তি ও কল্যাণের পথ দেখাতে পারে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুপম জীবনাদর্শ, সর্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহ অনুসরণ আজকের বিশ্বে – যা দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের মধ্যে ভরা – শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে। তিনি আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বাণীতে এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, ‘মহানবীর আদর্শ ও সুন্নাহ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়, যা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ পৃথিবীর শান্তি ও সাফল্য আসে।’ ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) পৃথিবীর মুসলমানদের জন্য বিশেষ পবিত্র ও মহিমান্বিত একটি দিন, যা মহানবীর জন্ম ও ওফাতের পবিত্র স্মৃতি বহন করে। তিনি দেশবাসী ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে এই মাহফিলে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’, অর্থাৎ সমগ্র বিশ্বে রহমত। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে মানবজাতির হেদায়েত ও মুক্তির জন্য প্রেরণ করেছেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি” (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)। মহান নবী দুনিয়ায় এসেছিলেন ‘সিরাজাম মুনিরা’, অর্থাৎ আলোকোজ্জ্বল প্রদীপ্ত দৃষ্টান্তের মতো, যা মানুষের কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার, দাসত্ব ও পাপাচারের অন্ধকার দূর করে শান্তি, প্রগতি ও কল্যাণের বার্তা পৌঁছে দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর প্রতি অশেষ আনুগত্য, ভালোবাসা, অসীম দয়া, মহৎ গুণাবলি ও সুন্দর চরিত্রের জন্য কোরআনে মহানবীর জীবনকে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ’—অর্থাৎ সুন্দরতম আদর্শ বলা হয়েছে। তিনি বিশ্বমানবতার জন্য অত্যন্ত অনিন্দ্য সুন্দর শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন, যা প্রতিটি যুগ ও জাতির জন্য মুক্তির দিশারী।

প্রফেসর ইউনূস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) সকলের মাঝে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক—এই কামনা করে বলেন, ‘সমগ্র মুসলিম সমাজের ঐক্য আরও সুসংহত হোক। মহানবীর জীবনাদর্শকে অনুসরণ করে আমরা এ জীবনের পাশাপাশি পরকালীন জীবনেও কল্যাণ ও মুক্তি পাবো। এই প্রত্যাশায় তিনি সকলের জন্য শান্তি, বিপদ থেকে মুক্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আমিন।