০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ বিশ্বে শান্তি ও কল্যাণের পথ দেখাতে পারে

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুপম জীবনাদর্শ, সর্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহ অনুসরণ আজকের বিশ্বে – যা দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের মধ্যে ভরা – শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে। তিনি আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বাণীতে এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, ‘মহানবীর আদর্শ ও সুন্নাহ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়, যা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ পৃথিবীর শান্তি ও সাফল্য আসে।’ ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) পৃথিবীর মুসলমানদের জন্য বিশেষ পবিত্র ও মহিমান্বিত একটি দিন, যা মহানবীর জন্ম ও ওফাতের পবিত্র স্মৃতি বহন করে। তিনি দেশবাসী ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে এই মাহফিলে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’, অর্থাৎ সমগ্র বিশ্বে রহমত। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে মানবজাতির হেদায়েত ও মুক্তির জন্য প্রেরণ করেছেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি” (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)। মহান নবী দুনিয়ায় এসেছিলেন ‘সিরাজাম মুনিরা’, অর্থাৎ আলোকোজ্জ্বল প্রদীপ্ত দৃষ্টান্তের মতো, যা মানুষের কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার, দাসত্ব ও পাপাচারের অন্ধকার দূর করে শান্তি, প্রগতি ও কল্যাণের বার্তা পৌঁছে দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর প্রতি অশেষ আনুগত্য, ভালোবাসা, অসীম দয়া, মহৎ গুণাবলি ও সুন্দর চরিত্রের জন্য কোরআনে মহানবীর জীবনকে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ’—অর্থাৎ সুন্দরতম আদর্শ বলা হয়েছে। তিনি বিশ্বমানবতার জন্য অত্যন্ত অনিন্দ্য সুন্দর শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন, যা প্রতিটি যুগ ও জাতির জন্য মুক্তির দিশারী।

প্রফেসর ইউনূস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) সকলের মাঝে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক—এই কামনা করে বলেন, ‘সমগ্র মুসলিম সমাজের ঐক্য আরও সুসংহত হোক। মহানবীর জীবনাদর্শকে অনুসরণ করে আমরা এ জীবনের পাশাপাশি পরকালীন জীবনেও কল্যাণ ও মুক্তি পাবো। এই প্রত্যাশায় তিনি সকলের জন্য শান্তি, বিপদ থেকে মুক্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আমিন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ বিশ্বে শান্তি ও কল্যাণের পথ দেখাতে পারে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুপম জীবনাদর্শ, সর্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহ অনুসরণ আজকের বিশ্বে – যা দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের মধ্যে ভরা – শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে। তিনি আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বাণীতে এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, ‘মহানবীর আদর্শ ও সুন্নাহ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়, যা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ পৃথিবীর শান্তি ও সাফল্য আসে।’ ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) পৃথিবীর মুসলমানদের জন্য বিশেষ পবিত্র ও মহিমান্বিত একটি দিন, যা মহানবীর জন্ম ও ওফাতের পবিত্র স্মৃতি বহন করে। তিনি দেশবাসী ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে এই মাহফিলে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’, অর্থাৎ সমগ্র বিশ্বে রহমত। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে মানবজাতির হেদায়েত ও মুক্তির জন্য প্রেরণ করেছেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি” (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)। মহান নবী দুনিয়ায় এসেছিলেন ‘সিরাজাম মুনিরা’, অর্থাৎ আলোকোজ্জ্বল প্রদীপ্ত দৃষ্টান্তের মতো, যা মানুষের কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার, দাসত্ব ও পাপাচারের অন্ধকার দূর করে শান্তি, প্রগতি ও কল্যাণের বার্তা পৌঁছে দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর প্রতি অশেষ আনুগত্য, ভালোবাসা, অসীম দয়া, মহৎ গুণাবলি ও সুন্দর চরিত্রের জন্য কোরআনে মহানবীর জীবনকে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ’—অর্থাৎ সুন্দরতম আদর্শ বলা হয়েছে। তিনি বিশ্বমানবতার জন্য অত্যন্ত অনিন্দ্য সুন্দর শিক্ষা ও আদর্শ রেখে গেছেন, যা প্রতিটি যুগ ও জাতির জন্য মুক্তির দিশারী।

প্রফেসর ইউনূস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) সকলের মাঝে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক—এই কামনা করে বলেন, ‘সমগ্র মুসলিম সমাজের ঐক্য আরও সুসংহত হোক। মহানবীর জীবনাদর্শকে অনুসরণ করে আমরা এ জীবনের পাশাপাশি পরকালীন জীবনেও কল্যাণ ও মুক্তি পাবো। এই প্রত্যাশায় তিনি সকলের জন্য শান্তি, বিপদ থেকে মুক্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আমিন।