০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

তানজিদের রেকর্ডে নাঈমের দখল ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত বুধবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫১ বলে ৬১ রান করেছিলেন বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসান। ১৫০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেললে এই ধরনের ইনিংস যদি কেউ খেলে, তবে দলের জয়ে যেমন সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তেমনি দর্শকদের মনে নতুন আশা জোগায়। তবে চট্টগ্রামে খেলা এই ম্যাচে অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। জাকের আলী, শামীম হোসেনদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ হেরেছে ১৪ রানের ব্যবধানে। এর ফলে তানজিদের ঠাসবদ্ধ স্টোরির মাঝে একটু আক্ষেপও দেখা দিয়েছে। তবে এই ম্যাচের মধ্যেই গড়ে তুলেছেন এক নতুন নজির। গত বুধবার বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রান করার রেকর্ড নিজের নামে লেখেন তানজিদ। তিনি চলতি বছর ২৩ ইনিংসে ৬২২ রান করেছেন, যা এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তার স্ট্রাইকরেট ১৩৫.২১ এবং ইনিংসটি তিনি ফিফটি করে রান করেছেন ৬ বার। তার গড় ২৯.৬১। এ বছর তানজিদ ছক্কা মারেছেন ৩৪টি, যা বাংলাদেশের এক বছরে সর্বোচ্চ। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড ছিল মোহাম্মদ নাঈমের দখলে। ২০২১ সালে নাঈম ২৬ ইনিংসে ৫৭৫ রান করেন, তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১০০.৩৪ এবং তিনি তিনটি ফিফটি করেন। তালিকায় নাঈমের পরে লিটন দাসের নাম দেখা যায়। এই বছর তিনি ২১ ইনিংসে ৫৬৪ রান করেছেন, স্ট্রাইকরেট ১৩২.৭০, এবং মোট চারটি ফিফটি করেছেন। ২০২২ সালে লিটন ৫০০র বেশি রান করেছিলেন, যেখানে তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪০.২০ এবং রানসংখ্যা ছিল ৫৪৪। এক বছরে ৫০০ বা তার বেশি রান করেছে দলের আরও একজন খেলোয়াড়—আফিফ হোসেন, যিনি ২০২২ সালে ৫০০ রান করেছিলেন, তার স্ট্রাইকরেট ১২৩.৭৬। অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ কখনো এক বছরের মধ্যে ৫০০ এর বেশি রান করতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহ সর্বোচ্চ ২০২১ সালে ৪৯৬ রান করেন, আর ২০১৮ সালে করেন ৪১৪ রান। মুশফিক ও সাকিবের এক বছরে সর্বোচ্চ রান যথাক্রমে ৩৯৭ ও ৩৪৯, যা তারা করেনি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

তানজিদের রেকর্ডে নাঈমের দখল ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ ১১:৫৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত বুধবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫১ বলে ৬১ রান করেছিলেন বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসান। ১৫০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেললে এই ধরনের ইনিংস যদি কেউ খেলে, তবে দলের জয়ে যেমন সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তেমনি দর্শকদের মনে নতুন আশা জোগায়। তবে চট্টগ্রামে খেলা এই ম্যাচে অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। জাকের আলী, শামীম হোসেনদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ হেরেছে ১৪ রানের ব্যবধানে। এর ফলে তানজিদের ঠাসবদ্ধ স্টোরির মাঝে একটু আক্ষেপও দেখা দিয়েছে। তবে এই ম্যাচের মধ্যেই গড়ে তুলেছেন এক নতুন নজির। গত বুধবার বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রান করার রেকর্ড নিজের নামে লেখেন তানজিদ। তিনি চলতি বছর ২৩ ইনিংসে ৬২২ রান করেছেন, যা এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তার স্ট্রাইকরেট ১৩৫.২১ এবং ইনিংসটি তিনি ফিফটি করে রান করেছেন ৬ বার। তার গড় ২৯.৬১। এ বছর তানজিদ ছক্কা মারেছেন ৩৪টি, যা বাংলাদেশের এক বছরে সর্বোচ্চ। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড ছিল মোহাম্মদ নাঈমের দখলে। ২০২১ সালে নাঈম ২৬ ইনিংসে ৫৭৫ রান করেন, তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১০০.৩৪ এবং তিনি তিনটি ফিফটি করেন। তালিকায় নাঈমের পরে লিটন দাসের নাম দেখা যায়। এই বছর তিনি ২১ ইনিংসে ৫৬৪ রান করেছেন, স্ট্রাইকরেট ১৩২.৭০, এবং মোট চারটি ফিফটি করেছেন। ২০২২ সালে লিটন ৫০০র বেশি রান করেছিলেন, যেখানে তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪০.২০ এবং রানসংখ্যা ছিল ৫৪৪। এক বছরে ৫০০ বা তার বেশি রান করেছে দলের আরও একজন খেলোয়াড়—আফিফ হোসেন, যিনি ২০২২ সালে ৫০০ রান করেছিলেন, তার স্ট্রাইকরেট ১২৩.৭৬। অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ কখনো এক বছরের মধ্যে ৫০০ এর বেশি রান করতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহ সর্বোচ্চ ২০২১ সালে ৪৯৬ রান করেন, আর ২০১৮ সালে করেন ৪১৪ রান। মুশফিক ও সাকিবের এক বছরে সর্বোচ্চ রান যথাক্রমে ৩৯৭ ও ৩৪৯, যা তারা করেনি।