০১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

তানজিদের রেকর্ডে নাঈমের দখল ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত বুধবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫১ বলে ৬১ রান করেছিলেন বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসান। ১৫০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেললে এই ধরনের ইনিংস যদি কেউ খেলে, তবে দলের জয়ে যেমন সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তেমনি দর্শকদের মনে নতুন আশা জোগায়। তবে চট্টগ্রামে খেলা এই ম্যাচে অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। জাকের আলী, শামীম হোসেনদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ হেরেছে ১৪ রানের ব্যবধানে। এর ফলে তানজিদের ঠাসবদ্ধ স্টোরির মাঝে একটু আক্ষেপও দেখা দিয়েছে। তবে এই ম্যাচের মধ্যেই গড়ে তুলেছেন এক নতুন নজির। গত বুধবার বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রান করার রেকর্ড নিজের নামে লেখেন তানজিদ। তিনি চলতি বছর ২৩ ইনিংসে ৬২২ রান করেছেন, যা এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তার স্ট্রাইকরেট ১৩৫.২১ এবং ইনিংসটি তিনি ফিফটি করে রান করেছেন ৬ বার। তার গড় ২৯.৬১। এ বছর তানজিদ ছক্কা মারেছেন ৩৪টি, যা বাংলাদেশের এক বছরে সর্বোচ্চ। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড ছিল মোহাম্মদ নাঈমের দখলে। ২০২১ সালে নাঈম ২৬ ইনিংসে ৫৭৫ রান করেন, তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১০০.৩৪ এবং তিনি তিনটি ফিফটি করেন। তালিকায় নাঈমের পরে লিটন দাসের নাম দেখা যায়। এই বছর তিনি ২১ ইনিংসে ৫৬৪ রান করেছেন, স্ট্রাইকরেট ১৩২.৭০, এবং মোট চারটি ফিফটি করেছেন। ২০২২ সালে লিটন ৫০০র বেশি রান করেছিলেন, যেখানে তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪০.২০ এবং রানসংখ্যা ছিল ৫৪৪। এক বছরে ৫০০ বা তার বেশি রান করেছে দলের আরও একজন খেলোয়াড়—আফিফ হোসেন, যিনি ২০২২ সালে ৫০০ রান করেছিলেন, তার স্ট্রাইকরেট ১২৩.৭৬। অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ কখনো এক বছরের মধ্যে ৫০০ এর বেশি রান করতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহ সর্বোচ্চ ২০২১ সালে ৪৯৬ রান করেন, আর ২০১৮ সালে করেন ৪১৪ রান। মুশফিক ও সাকিবের এক বছরে সর্বোচ্চ রান যথাক্রমে ৩৯৭ ও ৩৪৯, যা তারা করেনি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

তানজিদের রেকর্ডে নাঈমের দখল ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ ১১:৫৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গত বুধবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫১ বলে ৬১ রান করেছিলেন বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসান। ১৫০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেললে এই ধরনের ইনিংস যদি কেউ খেলে, তবে দলের জয়ে যেমন সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তেমনি দর্শকদের মনে নতুন আশা জোগায়। তবে চট্টগ্রামে খেলা এই ম্যাচে অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। জাকের আলী, শামীম হোসেনদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশ হেরেছে ১৪ রানের ব্যবধানে। এর ফলে তানজিদের ঠাসবদ্ধ স্টোরির মাঝে একটু আক্ষেপও দেখা দিয়েছে। তবে এই ম্যাচের মধ্যেই গড়ে তুলেছেন এক নতুন নজির। গত বুধবার বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রান করার রেকর্ড নিজের নামে লেখেন তানজিদ। তিনি চলতি বছর ২৩ ইনিংসে ৬২২ রান করেছেন, যা এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তার স্ট্রাইকরেট ১৩৫.২১ এবং ইনিংসটি তিনি ফিফটি করে রান করেছেন ৬ বার। তার গড় ২৯.৬১। এ বছর তানজিদ ছক্কা মারেছেন ৩৪টি, যা বাংলাদেশের এক বছরে সর্বোচ্চ। এর আগে বাংলাদেশের হয়ে এক বছরে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড ছিল মোহাম্মদ নাঈমের দখলে। ২০২১ সালে নাঈম ২৬ ইনিংসে ৫৭৫ রান করেন, তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১০০.৩৪ এবং তিনি তিনটি ফিফটি করেন। তালিকায় নাঈমের পরে লিটন দাসের নাম দেখা যায়। এই বছর তিনি ২১ ইনিংসে ৫৬৪ রান করেছেন, স্ট্রাইকরেট ১৩২.৭০, এবং মোট চারটি ফিফটি করেছেন। ২০২২ সালে লিটন ৫০০র বেশি রান করেছিলেন, যেখানে তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৪০.২০ এবং রানসংখ্যা ছিল ৫৪৪। এক বছরে ৫০০ বা তার বেশি রান করেছে দলের আরও একজন খেলোয়াড়—আফিফ হোসেন, যিনি ২০২২ সালে ৫০০ রান করেছিলেন, তার স্ট্রাইকরেট ১২৩.৭৬। অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ কখনো এক বছরের মধ্যে ৫০০ এর বেশি রান করতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহ সর্বোচ্চ ২০২১ সালে ৪৯৬ রান করেন, আর ২০১৮ সালে করেন ৪১৪ রান। মুশফিক ও সাকিবের এক বছরে সর্বোচ্চ রান যথাক্রমে ৩৯৭ ও ৩৪৯, যা তারা করেনি।