০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

একই দিনে বাবা-ছেলের গোল, ফিরল রোনালদোর ২২ বছরের পুরোনো স্মৃতি

১ নভেম্বর দিনটি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো کے জন্য বিশেষ একটি দিন। তার বিশাল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুহূর্তের শুরুটা হয়েছিল ২০০৩ সালের এই দিনে, যখন তিনি প্রথমবারের মতো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে গোল করেন। বলাই যায়, এই দিনটি তার ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ milestone হিসেবে চিহ্নিত।

বেশ কিছুকাল পরে, সেই একই দিন রোনালদোর জন্য আবারও আনন্দের দিন হয়ে উঠলো। এবার তার ছেলে, রোনালদো জুনিয়র, পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৬ দলে অভিষেক করেছেন এবং ওই দিনই তিনি প্রথম গোল করেছেন। শুধু ছেলে নয়, স্বয়ং রোনালদোও সেই দিন মাঠে নেমে গোল করেছেন, যেন এক অনুকরণীয় পারিবারিক ঘটনা।

রোনালদো জুনিয়র তিন দিন আগে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৬ দলে তার প্রথম খেলায় অংশ নিয়েছেন। তবে তুরস্কের বিরুদ্ধে ফেডারেশন কাপের মাঝবিরতিতে তাকে শেষ দিকে বদলি হিসেবে খেলতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমার্ধে তার খেলানোর সুযোগ হয় এবং ৪২ মিনিটে তার গোলের মাধ্যমে পর্তুগাল 1-0 এগিয়ে যায়। তার সতীর্থ কার্লোস মইতার পাস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের নিচু শটে জালে পাঠানো এই গোলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে, যেখানে অনেকেই তার বাবার আশ্চর্য্যজনক গোলের মিল খুঁজে পেয়েছেন।

রোনালদো জুনিয়র এই গোলের পর নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সেটি শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি তিনটি আগুনের ইমোজি যোগ করেছেন। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার গোলের ভিডিও widely শেয়ার হয়েছে। প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল, এই গোল দেখলে তার বাবার ফিনিশিংয়ের ধাঁচের সঙ্গে টেক্কা দেওয়া যায় কিনা!

অন্যদিকে, আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর রোনালদো আরও একবার তার গোলের স্বাদ নেন। সৌদি প্রো লিগের আল ফেইহারের বিপক্ষে ৩৭ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। পরে, ম্যাচের যোগ করা সময়ের ১৫ মিনিটে (১০৫ মিনিট) পেনাল্টি.Volleyশ করে ম্যাচের ফল ২-১ এ বদলে দেন, যা দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই জয়ে প্রো লিগে সাত ম্যাচে রোনালদোর দল ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান জোরদার করেছে।

রোনালদো এরই মধ্যে গোলের সংখ্যাকে পৌঁছে দিয়েছেন ৯৫২-তে, যা তার ক্যারিয়ারে একটি প্রেরণাদায়ক অঙ্ক। তবে, ব্যক্তিগত এই জয়ের চেয়ে আরও বেশি মূল্যে রয়েছে তার পারিবারিক স্মৃতি এবং সেই দিনটির ঐতিহাসিক মান, যখন তিনি প্রথমবারের মতো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে গোল করেছিলেন। সেই একই দিন, তার ছেলে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৬ দলে প্রথম গোল করলেন, যা সত্যিই খুবই বিশেষ। এটি তার ফুটবল জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

একই দিনে বাবা-ছেলের গোল, ফিরল রোনালদোর ২২ বছরের পুরোনো স্মৃতি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৭:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

১ নভেম্বর দিনটি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো کے জন্য বিশেষ একটি দিন। তার বিশাল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুহূর্তের শুরুটা হয়েছিল ২০০৩ সালের এই দিনে, যখন তিনি প্রথমবারের মতো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে গোল করেন। বলাই যায়, এই দিনটি তার ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ milestone হিসেবে চিহ্নিত।

বেশ কিছুকাল পরে, সেই একই দিন রোনালদোর জন্য আবারও আনন্দের দিন হয়ে উঠলো। এবার তার ছেলে, রোনালদো জুনিয়র, পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৬ দলে অভিষেক করেছেন এবং ওই দিনই তিনি প্রথম গোল করেছেন। শুধু ছেলে নয়, স্বয়ং রোনালদোও সেই দিন মাঠে নেমে গোল করেছেন, যেন এক অনুকরণীয় পারিবারিক ঘটনা।

রোনালদো জুনিয়র তিন দিন আগে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৬ দলে তার প্রথম খেলায় অংশ নিয়েছেন। তবে তুরস্কের বিরুদ্ধে ফেডারেশন কাপের মাঝবিরতিতে তাকে শেষ দিকে বদলি হিসেবে খেলতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমার্ধে তার খেলানোর সুযোগ হয় এবং ৪২ মিনিটে তার গোলের মাধ্যমে পর্তুগাল 1-0 এগিয়ে যায়। তার সতীর্থ কার্লোস মইতার পাস থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের নিচু শটে জালে পাঠানো এই গোলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে, যেখানে অনেকেই তার বাবার আশ্চর্য্যজনক গোলের মিল খুঁজে পেয়েছেন।

রোনালদো জুনিয়র এই গোলের পর নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সেটি শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি তিনটি আগুনের ইমোজি যোগ করেছেন। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার গোলের ভিডিও widely শেয়ার হয়েছে। প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল, এই গোল দেখলে তার বাবার ফিনিশিংয়ের ধাঁচের সঙ্গে টেক্কা দেওয়া যায় কিনা!

অন্যদিকে, আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর রোনালদো আরও একবার তার গোলের স্বাদ নেন। সৌদি প্রো লিগের আল ফেইহারের বিপক্ষে ৩৭ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। পরে, ম্যাচের যোগ করা সময়ের ১৫ মিনিটে (১০৫ মিনিট) পেনাল্টি.Volleyশ করে ম্যাচের ফল ২-১ এ বদলে দেন, যা দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই জয়ে প্রো লিগে সাত ম্যাচে রোনালদোর দল ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান জোরদার করেছে।

রোনালদো এরই মধ্যে গোলের সংখ্যাকে পৌঁছে দিয়েছেন ৯৫২-তে, যা তার ক্যারিয়ারে একটি প্রেরণাদায়ক অঙ্ক। তবে, ব্যক্তিগত এই জয়ের চেয়ে আরও বেশি মূল্যে রয়েছে তার পারিবারিক স্মৃতি এবং সেই দিনটির ঐতিহাসিক মান, যখন তিনি প্রথমবারের মতো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে গোল করেছিলেন। সেই একই দিন, তার ছেলে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৬ দলে প্রথম গোল করলেন, যা সত্যিই খুবই বিশেষ। এটি তার ফুটবল জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন।