০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

দেশের প্রথম ছাদবাগান ও বৃক্ষপ্রেম কেন্দ্র ডিএনসিসির উদ্যোগ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে এবং গ্রিন সেভার্স ও ডেল্টা ডট লিমিটেডের সহযোগিতায় রাজধানীতে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম ‘আরবান ট্রি মিউজিয়াম’ ও ‘বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র’। গতকাল বুধবার গুলশান নগর ভবনে এই তিন সংস্থার মধ্যে এক চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, যিনি বলেন, এই আরবান ট্রি মিউজিয়াম এবং বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র নগরের মানুষের কাছে প্রকৃতি জ্ঞান ও টেকসই বৃক্ষচর্চা শিখবে এবং গাছের যত্নের মাধ্যমে নিজের জীবনেও পরিবেশের জন্য দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করবে। এটি একটি নতুন অধ্যায় শুরু করবে নগরীর সবুজায়ন, বৃক্ষ সংরক্ষণ ও নাগরিক সচেতনতার ক্ষেত্রে। আয়োজকদের মতে, ‘আরবান ট্রি মিউজিয়াম’-এ ঢাকার বিলুপ্তপ্রায় ও দেশীয় বৃক্ষপ্রজাতির সমৃদ্ধ সংগ্রহ থাকবে। এটি শুধু একটি প্রদর্শনী কেন্দ্র নয়, এখানে গবেষণা, শিক্ষা ও বিনোদনের সুযোগও থাকবে, যাতে নগরবাসী প্রকৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠতে পারেন। মিউজিয়ামটি নগর বনায়ন ও পরিবেশের জন্য এক আদর্শ উদাহরণ হয়ে দাঁড়াবে, যার মাধ্যমে নাগরিকেরা সবুজের গুরুত্ব ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হবে। অন্যদিকে, গুলশানের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ স্মৃতি পার্কে ডিএনসিসি ও গ্রিন সেভার্স যৌথভাবে গড়ে তুলছে ‘বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র’। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের আক্রান্ত বা অস্বাভাবিক গাছের পাতা, ফল বা মাটির নমুনা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারবেন। সেখানে থাকবে ‘ট্রি হসপিটাল’, প্ল্যান্ট ফার্মেসি ও ল্যাবরেটরি, যেখানে জৈব বিশ্লেষণ, মাটির উপযোগিতা পরীক্ষা, কীটপতঙ্গ শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও উদ্ভিদের অণুখাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। এই উদ্যোগটি পরিবেশের উন্নয়ন ও সচেতনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং নাগরিকদের সবুজের প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

দেশের প্রথম ছাদবাগান ও বৃক্ষপ্রেম কেন্দ্র ডিএনসিসির উদ্যোগ

প্রকাশিতঃ ০১:০৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে এবং গ্রিন সেভার্স ও ডেল্টা ডট লিমিটেডের সহযোগিতায় রাজধানীতে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম ‘আরবান ট্রি মিউজিয়াম’ ও ‘বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র’। গতকাল বুধবার গুলশান নগর ভবনে এই তিন সংস্থার মধ্যে এক চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, যিনি বলেন, এই আরবান ট্রি মিউজিয়াম এবং বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র নগরের মানুষের কাছে প্রকৃতি জ্ঞান ও টেকসই বৃক্ষচর্চা শিখবে এবং গাছের যত্নের মাধ্যমে নিজের জীবনেও পরিবেশের জন্য দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করবে। এটি একটি নতুন অধ্যায় শুরু করবে নগরীর সবুজায়ন, বৃক্ষ সংরক্ষণ ও নাগরিক সচেতনতার ক্ষেত্রে। আয়োজকদের মতে, ‘আরবান ট্রি মিউজিয়াম’-এ ঢাকার বিলুপ্তপ্রায় ও দেশীয় বৃক্ষপ্রজাতির সমৃদ্ধ সংগ্রহ থাকবে। এটি শুধু একটি প্রদর্শনী কেন্দ্র নয়, এখানে গবেষণা, শিক্ষা ও বিনোদনের সুযোগও থাকবে, যাতে নগরবাসী প্রকৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠতে পারেন। মিউজিয়ামটি নগর বনায়ন ও পরিবেশের জন্য এক আদর্শ উদাহরণ হয়ে দাঁড়াবে, যার মাধ্যমে নাগরিকেরা সবুজের গুরুত্ব ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হবে। অন্যদিকে, গুলশানের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ স্মৃতি পার্কে ডিএনসিসি ও গ্রিন সেভার্স যৌথভাবে গড়ে তুলছে ‘বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র’। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের আক্রান্ত বা অস্বাভাবিক গাছের পাতা, ফল বা মাটির নমুনা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারবেন। সেখানে থাকবে ‘ট্রি হসপিটাল’, প্ল্যান্ট ফার্মেসি ও ল্যাবরেটরি, যেখানে জৈব বিশ্লেষণ, মাটির উপযোগিতা পরীক্ষা, কীটপতঙ্গ শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও উদ্ভিদের অণুখাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। এই উদ্যোগটি পরিবেশের উন্নয়ন ও সচেতনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং নাগরিকদের সবুজের প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে।