০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

দেশের প্রথম ছাদবাগান ও বৃক্ষপ্রেম কেন্দ্র ডিএনসিসির উদ্যোগ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে এবং গ্রিন সেভার্স ও ডেল্টা ডট লিমিটেডের সহযোগিতায় রাজধানীতে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম ‘আরবান ট্রি মিউজিয়াম’ ও ‘বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র’। গতকাল বুধবার গুলশান নগর ভবনে এই তিন সংস্থার মধ্যে এক চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, যিনি বলেন, এই আরবান ট্রি মিউজিয়াম এবং বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র নগরের মানুষের কাছে প্রকৃতি জ্ঞান ও টেকসই বৃক্ষচর্চা শিখবে এবং গাছের যত্নের মাধ্যমে নিজের জীবনেও পরিবেশের জন্য দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করবে। এটি একটি নতুন অধ্যায় শুরু করবে নগরীর সবুজায়ন, বৃক্ষ সংরক্ষণ ও নাগরিক সচেতনতার ক্ষেত্রে। আয়োজকদের মতে, ‘আরবান ট্রি মিউজিয়াম’-এ ঢাকার বিলুপ্তপ্রায় ও দেশীয় বৃক্ষপ্রজাতির সমৃদ্ধ সংগ্রহ থাকবে। এটি শুধু একটি প্রদর্শনী কেন্দ্র নয়, এখানে গবেষণা, শিক্ষা ও বিনোদনের সুযোগও থাকবে, যাতে নগরবাসী প্রকৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠতে পারেন। মিউজিয়ামটি নগর বনায়ন ও পরিবেশের জন্য এক আদর্শ উদাহরণ হয়ে দাঁড়াবে, যার মাধ্যমে নাগরিকেরা সবুজের গুরুত্ব ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হবে। অন্যদিকে, গুলশানের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ স্মৃতি পার্কে ডিএনসিসি ও গ্রিন সেভার্স যৌথভাবে গড়ে তুলছে ‘বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র’। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের আক্রান্ত বা অস্বাভাবিক গাছের পাতা, ফল বা মাটির নমুনা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারবেন। সেখানে থাকবে ‘ট্রি হসপিটাল’, প্ল্যান্ট ফার্মেসি ও ল্যাবরেটরি, যেখানে জৈব বিশ্লেষণ, মাটির উপযোগিতা পরীক্ষা, কীটপতঙ্গ শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও উদ্ভিদের অণুখাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। এই উদ্যোগটি পরিবেশের উন্নয়ন ও সচেতনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং নাগরিকদের সবুজের প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

দেশের প্রথম ছাদবাগান ও বৃক্ষপ্রেম কেন্দ্র ডিএনসিসির উদ্যোগ

প্রকাশিতঃ ০১:০৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে এবং গ্রিন সেভার্স ও ডেল্টা ডট লিমিটেডের সহযোগিতায় রাজধানীতে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম ‘আরবান ট্রি মিউজিয়াম’ ও ‘বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র’। গতকাল বুধবার গুলশান নগর ভবনে এই তিন সংস্থার মধ্যে এক চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, যিনি বলেন, এই আরবান ট্রি মিউজিয়াম এবং বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র নগরের মানুষের কাছে প্রকৃতি জ্ঞান ও টেকসই বৃক্ষচর্চা শিখবে এবং গাছের যত্নের মাধ্যমে নিজের জীবনেও পরিবেশের জন্য দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করবে। এটি একটি নতুন অধ্যায় শুরু করবে নগরীর সবুজায়ন, বৃক্ষ সংরক্ষণ ও নাগরিক সচেতনতার ক্ষেত্রে। আয়োজকদের মতে, ‘আরবান ট্রি মিউজিয়াম’-এ ঢাকার বিলুপ্তপ্রায় ও দেশীয় বৃক্ষপ্রজাতির সমৃদ্ধ সংগ্রহ থাকবে। এটি শুধু একটি প্রদর্শনী কেন্দ্র নয়, এখানে গবেষণা, শিক্ষা ও বিনোদনের সুযোগও থাকবে, যাতে নগরবাসী প্রকৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠতে পারেন। মিউজিয়ামটি নগর বনায়ন ও পরিবেশের জন্য এক আদর্শ উদাহরণ হয়ে দাঁড়াবে, যার মাধ্যমে নাগরিকেরা সবুজের গুরুত্ব ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হবে। অন্যদিকে, গুলশানের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ স্মৃতি পার্কে ডিএনসিসি ও গ্রিন সেভার্স যৌথভাবে গড়ে তুলছে ‘বৃক্ষ সেবা ও ছাদবাগান সহায়তা কেন্দ্র’। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের আক্রান্ত বা অস্বাভাবিক গাছের পাতা, ফল বা মাটির নমুনা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারবেন। সেখানে থাকবে ‘ট্রি হসপিটাল’, প্ল্যান্ট ফার্মেসি ও ল্যাবরেটরি, যেখানে জৈব বিশ্লেষণ, মাটির উপযোগিতা পরীক্ষা, কীটপতঙ্গ শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও উদ্ভিদের অণুখাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। এই উদ্যোগটি পরিবেশের উন্নয়ন ও সচেতনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং নাগরিকদের সবুজের প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে।