০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলমের হাইকোর্টে জামিন

হাইকোর্টে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত। এই শুনানি চলাকালে দুইজনেরই পৃথক আবেদনের উপর বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।

আদালতে লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও ফজলুর রহমান, এছাড়া দলের এক আইনজীবী ছিলেন এম আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া। অপরদিকে, মঞ্জুরুল আলমের পক্ষে ছিলেন সারা হোসেন, রমজান আলী শিকদার এবং প্রিয়া আহসান চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।

আন্তঃবিচার বিভাগে শুনানি শেষে, আইনজীবী রমজান আলী শিকদার জানান, হাইকোর্ট মঞ্জুরুল আলমের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেছেন। ফলে তার কারামুক্তিতে এখন কোনো বাধা রইল না। অন্যদিকে, লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী এম আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া বলেন, আদালত তার জামিনের রুল দিয়েছেন, এবং যদি রাষ্ট্রপক্ষ প্রতিবাদ না করে, তাহলে তার মুক্তিতে আইনগত কোনো সমস্যা হবে না।

উল্লেখ্য, ১২ ঘণ্টার বেশি সময় পর, গত ২৮ আগস্ট রাত পৌনে একটার দিকে, আবদুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রের্কড করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন শাহবাগ থানার এসআই আমিরুল ইসলাম। মামলার বিষয়বস্তু অনুযায়ী, ওই দিন সকালে লতিফ সিদ্দিকী, শাহ হাফিজুর রহমান ও অন্যান্যরা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একটি গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিতে যান। আলোচনাটির আয়োজন করে ‘মঞ্চ ৭১’ নামে এক প্ল্যাটফর্ম।

উল্লেখ্য, আলোচনায় বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল, তবে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। আলোচনা শুরু হয় সকাল ১০টায়, কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই বক্তারা মিছিলে অংশ নিয়ে অপ্রকাশ্য স্লোগান দিতে থাকেন। מופশির পরে, তারা আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে পরিবেশ অশান্ত করে তোলে। এ সময় পুলিশ এসে সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের আটক করে। পরে, পুলিশের উপস্থিতিতে লতিফ সিদ্দিকী, শেখ হাফিজুর রহমান, মঞ্জুরুল আলমসহ মোট ১৬ জনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

লতিফ সিদ্দিকী ও মঞ্জুরুল আলমের হাইকোর্টে জামিন

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

হাইকোর্টে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত। এই শুনানি চলাকালে দুইজনেরই পৃথক আবেদনের উপর বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।

আদালতে লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও ফজলুর রহমান, এছাড়া দলের এক আইনজীবী ছিলেন এম আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া। অপরদিকে, মঞ্জুরুল আলমের পক্ষে ছিলেন সারা হোসেন, রমজান আলী শিকদার এবং প্রিয়া আহসান চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।

আন্তঃবিচার বিভাগে শুনানি শেষে, আইনজীবী রমজান আলী শিকদার জানান, হাইকোর্ট মঞ্জুরুল আলমের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেছেন। ফলে তার কারামুক্তিতে এখন কোনো বাধা রইল না। অন্যদিকে, লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী এম আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া বলেন, আদালত তার জামিনের রুল দিয়েছেন, এবং যদি রাষ্ট্রপক্ষ প্রতিবাদ না করে, তাহলে তার মুক্তিতে আইনগত কোনো সমস্যা হবে না।

উল্লেখ্য, ১২ ঘণ্টার বেশি সময় পর, গত ২৮ আগস্ট রাত পৌনে একটার দিকে, আবদুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রের্কড করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন শাহবাগ থানার এসআই আমিরুল ইসলাম। মামলার বিষয়বস্তু অনুযায়ী, ওই দিন সকালে লতিফ সিদ্দিকী, শাহ হাফিজুর রহমান ও অন্যান্যরা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একটি গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিতে যান। আলোচনাটির আয়োজন করে ‘মঞ্চ ৭১’ নামে এক প্ল্যাটফর্ম।

উল্লেখ্য, আলোচনায় বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল, তবে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। আলোচনা শুরু হয় সকাল ১০টায়, কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই বক্তারা মিছিলে অংশ নিয়ে অপ্রকাশ্য স্লোগান দিতে থাকেন। מופশির পরে, তারা আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে পরিবেশ অশান্ত করে তোলে। এ সময় পুলিশ এসে সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের আটক করে। পরে, পুলিশের উপস্থিতিতে লতিফ সিদ্দিকী, শেখ হাফিজুর রহমান, মঞ্জুরুল আলমসহ মোট ১৬ জনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।