০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

30 ছক্কার ম্যাচে নাটকীয় জয় নিউজিল্যান্ডের

নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল বিশাল ছক্কা ও চারতে ভরপুর। দুই দল মিলে ২৪টি চার ও ৩০টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন, যা এই ওভালের একের পর এক ঝড়ের মতো। লক্ষ্য ছিল ২০৮ রান, যেখানে ব্যাট করতে নেমে মনে হচ্ছিল ক্যারিবীয়ানরা সহজেই জয় ধরে ফেলবেন। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা চলে আসে। শেষ বলে যখন তারা ছক্কা মারতে পারেনি, তখনই কিউইরা ৩ রানের এক দুর্দান্ত জয় লাভ করে। এটি ছিল এক ড্রামাক এবং উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ।

অকল্যান্ডে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। শুরুতেই খুব ভালো শুরু করেন ওপেনাররা—টিম রবিনসন ও ডেভন কনওয়ে। তারা ৪৩ বলে মোট ৫৫ রান সংগ্রহ করেন, কিন্তু এরপরই দুজনই আউট হন। কনওয়ে ২৪ বলে ১৬ ও রবিনসন ২৫ বলে ৩৯ রান করেন।

এরপর, দলের অবিচ্ছিন্নতা বজায় রাখতে রাচিন রবীন্দ্র্র ও ড্যারিল মিচেল একঝাঁক ঝড়ের ঝড় তোলে। রাচিন মাত্র ১১ রানে থামলেও, ১৯ বলে ১০ম ফিফটি তুলে নেন ক্যারিবীয় দলের এই তারকা। অন্যদিকে, মার্ক চাপম্যান ৭৮ রান করে নিজের ক্যারিয়ারসেরা পারফরমেন্স দেখান, যেখানে ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা ছিল। তিনি ২৮ বলে এই রান করেন।

দলের স্কোর ১৬৪ রানে পৌঁছানোর পর চাপম্যান আউট হলেও, ওয়ানঅ্যাংগেলীন সংগ্রামে জুটি গড়ে যান ড্যারিল মিচেল ও অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। তারা গড়েন ২০ ওভারে ২০৭ রান। এই রানে শেষ পর্যন্ত ক্যারিবীয়ানরা লড়াই চালিয়ে যায়, যদিও ব্যাটসম্যানরা ছন্দ হারান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সূচনাটা খুবই বাজে হয়। ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং শূন্যে ফিরে যান, প্রথম বলে উইকেট হারিয়ে। এরপর আরও এক ওপেনার অ্যালিক আথানাজে ও অধিনায়ক শাই হোপ শতাধিকের মধ্যে কিছুটা পরিস্থিতি সামাল দেন। তবে অন্যান্য স্পিনার স্যান্টনার এবং ইশ সোধি অসাধারণ স্পিন প্রদর্শন করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং ধ্বংস করে। তারা ৯৩ রানে ষষ্ট উইকেট হারায়।

শেষদিকে, রোভম্যান পাওয়েল ও শেফার্ড ঝড়ো ব্যাটিং করে ম্যাচকে আনোয়ার করানোর চেষ্টা করেন। ১৮তম ওভার থেকে ২২ রান, ১৯তম ওভারে ১৪ রান এনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের আশা জাগান। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৬ রান, যেখানে পাওয়েল ও ফোর্ড দুর্দান্ত পরিস্থিতি তৈরি করেন। তবে শেষ বলের নাটকীয়তায় তারা সফল হননি। ক্যারিবীয়ানরা শেষ মুহূর্তে ৩ রানে হেরে যায়।

পাওয়ােল ১৬ বলে ৪৫, শেফার্ড ১৬ বলে ৩৪ ও ফোর্ড ১৩ বলে অপরাজিত ২৯ রান করেন। বলে গিয়ে শেষ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের আশা। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের সোধি ও স্যান্টনার তিনটি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন চাপম্যান, যিনি তার অসাধারণ ইনিংসের জন্য এই পুরস্কার পান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

30 ছক্কার ম্যাচে নাটকীয় জয় নিউজিল্যান্ডের

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল বিশাল ছক্কা ও চারতে ভরপুর। দুই দল মিলে ২৪টি চার ও ৩০টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন, যা এই ওভালের একের পর এক ঝড়ের মতো। লক্ষ্য ছিল ২০৮ রান, যেখানে ব্যাট করতে নেমে মনে হচ্ছিল ক্যারিবীয়ানরা সহজেই জয় ধরে ফেলবেন। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা চলে আসে। শেষ বলে যখন তারা ছক্কা মারতে পারেনি, তখনই কিউইরা ৩ রানের এক দুর্দান্ত জয় লাভ করে। এটি ছিল এক ড্রামাক এবং উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ।

অকল্যান্ডে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। শুরুতেই খুব ভালো শুরু করেন ওপেনাররা—টিম রবিনসন ও ডেভন কনওয়ে। তারা ৪৩ বলে মোট ৫৫ রান সংগ্রহ করেন, কিন্তু এরপরই দুজনই আউট হন। কনওয়ে ২৪ বলে ১৬ ও রবিনসন ২৫ বলে ৩৯ রান করেন।

এরপর, দলের অবিচ্ছিন্নতা বজায় রাখতে রাচিন রবীন্দ্র্র ও ড্যারিল মিচেল একঝাঁক ঝড়ের ঝড় তোলে। রাচিন মাত্র ১১ রানে থামলেও, ১৯ বলে ১০ম ফিফটি তুলে নেন ক্যারিবীয় দলের এই তারকা। অন্যদিকে, মার্ক চাপম্যান ৭৮ রান করে নিজের ক্যারিয়ারসেরা পারফরমেন্স দেখান, যেখানে ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা ছিল। তিনি ২৮ বলে এই রান করেন।

দলের স্কোর ১৬৪ রানে পৌঁছানোর পর চাপম্যান আউট হলেও, ওয়ানঅ্যাংগেলীন সংগ্রামে জুটি গড়ে যান ড্যারিল মিচেল ও অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। তারা গড়েন ২০ ওভারে ২০৭ রান। এই রানে শেষ পর্যন্ত ক্যারিবীয়ানরা লড়াই চালিয়ে যায়, যদিও ব্যাটসম্যানরা ছন্দ হারান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সূচনাটা খুবই বাজে হয়। ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং শূন্যে ফিরে যান, প্রথম বলে উইকেট হারিয়ে। এরপর আরও এক ওপেনার অ্যালিক আথানাজে ও অধিনায়ক শাই হোপ শতাধিকের মধ্যে কিছুটা পরিস্থিতি সামাল দেন। তবে অন্যান্য স্পিনার স্যান্টনার এবং ইশ সোধি অসাধারণ স্পিন প্রদর্শন করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং ধ্বংস করে। তারা ৯৩ রানে ষষ্ট উইকেট হারায়।

শেষদিকে, রোভম্যান পাওয়েল ও শেফার্ড ঝড়ো ব্যাটিং করে ম্যাচকে আনোয়ার করানোর চেষ্টা করেন। ১৮তম ওভার থেকে ২২ রান, ১৯তম ওভারে ১৪ রান এনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের আশা জাগান। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৬ রান, যেখানে পাওয়েল ও ফোর্ড দুর্দান্ত পরিস্থিতি তৈরি করেন। তবে শেষ বলের নাটকীয়তায় তারা সফল হননি। ক্যারিবীয়ানরা শেষ মুহূর্তে ৩ রানে হেরে যায়।

পাওয়ােল ১৬ বলে ৪৫, শেফার্ড ১৬ বলে ৩৪ ও ফোর্ড ১৩ বলে অপরাজিত ২৯ রান করেন। বলে গিয়ে শেষ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের আশা। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের সোধি ও স্যান্টনার তিনটি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন চাপম্যান, যিনি তার অসাধারণ ইনিংসের জন্য এই পুরস্কার পান।