১০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

কুলাউড়ায় ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে রবি মৌসুমের জন্য বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়েছে। এই মহৎ উদ্যোগে অংশ নিতে আজ রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যৌথভাবে কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ কক্ষে আলোচনা আয়োজন করে। এতে কৃষকদের অংশগ্রহণ এবং উপস্থিতি ছিল দারুণ উৎসাহদায়ক।

উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, উপজেলার অনেক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক বীজ ও সার সংকটের কারণে রবি মৌসুমে ফসলের চাষে পিছিয়ে থাকেন। সরকারের এ উদ্যোগের মাধ্যমে তারা বিনামূল্যে বীজ ও সার পাইছে, যাতে তারা ব্যাপক উৎসাহে চাষাবাদে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই প্রণোদনা নিয়ে কৃষকরা নিজেদের উৎপাদন বাড়িয়ে স্বাবলম্বী হবেন এবং কৃষিতে অগ্রগতি ঘটবে।

আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিবাস চন্দ্র পাল, বন বিভাগের কুলাউড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার রঞ্জিত কুমার চন্দসহ আরও অনেক কৃৃষি ও বন বিভাগের প্রতিনিধি।

উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রবি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বোরো ধান (উফশী ও হাইব্রিড), গম, সরিষা, সূর্যমুখী (উফশী ও হাইব্রিড), চিনা বাদাম ও অড়হড়ের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উপজেলার ২০৮৫ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের প্রণোদনা গ্রহণ করে কৃষকরা উৎপাদন ও মান উন্নয়নে সহায়তা পাবেন এবং নিজেদের জীবনমান উন্নত করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই উদ্যোগ দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে প্রত্যাশা জাগিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

কুলাউড়ায় ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন

প্রকাশিতঃ ১১:৫৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে রবি মৌসুমের জন্য বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়েছে। এই মহৎ উদ্যোগে অংশ নিতে আজ রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যৌথভাবে কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ কক্ষে আলোচনা আয়োজন করে। এতে কৃষকদের অংশগ্রহণ এবং উপস্থিতি ছিল দারুণ উৎসাহদায়ক।

উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, উপজেলার অনেক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক বীজ ও সার সংকটের কারণে রবি মৌসুমে ফসলের চাষে পিছিয়ে থাকেন। সরকারের এ উদ্যোগের মাধ্যমে তারা বিনামূল্যে বীজ ও সার পাইছে, যাতে তারা ব্যাপক উৎসাহে চাষাবাদে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই প্রণোদনা নিয়ে কৃষকরা নিজেদের উৎপাদন বাড়িয়ে স্বাবলম্বী হবেন এবং কৃষিতে অগ্রগতি ঘটবে।

আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিবাস চন্দ্র পাল, বন বিভাগের কুলাউড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার রঞ্জিত কুমার চন্দসহ আরও অনেক কৃৃষি ও বন বিভাগের প্রতিনিধি।

উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রবি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বোরো ধান (উফশী ও হাইব্রিড), গম, সরিষা, সূর্যমুখী (উফশী ও হাইব্রিড), চিনা বাদাম ও অড়হড়ের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উপজেলার ২০৮৫ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের প্রণোদনা গ্রহণ করে কৃষকরা উৎপাদন ও মান উন্নয়নে সহায়তা পাবেন এবং নিজেদের জীবনমান উন্নত করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই উদ্যোগ দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে প্রত্যাশা জাগিয়েছে।