১০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

নিউ জিল্যান্ডও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের জাতি হতে যাচ্ছে

বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগের জনপ্রিয়তা আরও বাড়ছে বছর গুরুজন ধরে। আকাশচুম্বী দর্শকয়া আকর্ষণ, দেশি-বিদেশি তারকা খেলোয়াড়, বিদেশি বিনিয়োগ এবং বিশাল জনসমর্থনে এ লিগগুলো এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেছে। আইপিএলের সফলতা দেখে বেশির ভাগ দেশই এখন নিজেদের মতো করে আন্তর্জাতিক মানের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালু করতে এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে এত দিন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড ছিল এক ব্যতিক্রম। এখন সেই পরিস্থিতি পালটে যাচ্ছে, কারণ কিউইরা এবার তাদের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের পথে হাঁটতে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) আদলে ২০২৭ সাল থেকে নিজেদের টি-টোয়েন্টি লিগ চালুর লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।

এখনো প্রচলিত একমাত্র ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা হলো সুপার স্ম্যাশ। তবে আন্তর্জাতিক তারকা না থাকায় ও দর্শকদের আগ্রহ কমে আসায় এই লিগের গুরুত্ব দিন দিন কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এনজেড-২০ প্রজেক্টের প্রধান ডন ম্যাককিনন বলেন, এখন সময় এসেছে সুপার স্ম্যাশের বাইরে ভাবার।

ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ESPN ক্রিকইনফোকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নতুন পরিকল্পনায় নিউজিল্যান্ডের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই লিগ ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মতো মডেলে পরিচালিত হবে, যেখানে লিগের লাইসেন্স থাকবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেসি) হাতে, কিন্তু পরিচালনা স্বতন্ত্রভাবে হবে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এখনো এই প্রস্তাবের বিষয়ে সবুজ সংকেত দেয়নি, তবে অনুমোদন পেলে এটি সুপার স্ম্যাশের স্থান দখল করবে বলে মনে করছেন ম্যাককিনন। ২০১৪ সালে এক সময়ে এনজেসি এমন একটি প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিল, তখন বোর্ড মনে করেছিল, আইপিএল বা বিগব্যাশের সাথে প্রতিযোগিতা করাটা কঠিন হবে।

ম্যাককিননের মতে, এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং নিউজিল্যান্ডের নিজস্ব টি-টোয়েন্টি ব্র্যান্ড তৈরির সময় এসেছে। তিনি আরও জানান, কিংবদন্তি ক্রিকেটার স্টিফেন ফ্লেমিংসহ অনেকেই নামীদামি ব্যক্তিগত মালিকানার লিগের পক্ষে মত দিয়েছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে।

তবে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সময়সূচি নির্ধারণ, যাতে বিগব্যাশ (বিবিএল), আইপিএল, এসএ২০ বা আইএলটি২০ এর সঙ্গে সংঘাত না হয়। কারণ এসব লিগে অনেক কিউই ক্রিকেটার নিয়মিত খেলেন, তাই সময় নির্ধারণ করাই সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

নিউ জিল্যান্ডও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের জাতি হতে যাচ্ছে

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগের জনপ্রিয়তা আরও বাড়ছে বছর গুরুজন ধরে। আকাশচুম্বী দর্শকয়া আকর্ষণ, দেশি-বিদেশি তারকা খেলোয়াড়, বিদেশি বিনিয়োগ এবং বিশাল জনসমর্থনে এ লিগগুলো এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেছে। আইপিএলের সফলতা দেখে বেশির ভাগ দেশই এখন নিজেদের মতো করে আন্তর্জাতিক মানের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালু করতে এগিয়ে যাচ্ছে।

তবে এত দিন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড ছিল এক ব্যতিক্রম। এখন সেই পরিস্থিতি পালটে যাচ্ছে, কারণ কিউইরা এবার তাদের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের পথে হাঁটতে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) আদলে ২০২৭ সাল থেকে নিজেদের টি-টোয়েন্টি লিগ চালুর লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।

এখনো প্রচলিত একমাত্র ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা হলো সুপার স্ম্যাশ। তবে আন্তর্জাতিক তারকা না থাকায় ও দর্শকদের আগ্রহ কমে আসায় এই লিগের গুরুত্ব দিন দিন কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এনজেড-২০ প্রজেক্টের প্রধান ডন ম্যাককিনন বলেন, এখন সময় এসেছে সুপার স্ম্যাশের বাইরে ভাবার।

ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ESPN ক্রিকইনফোকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নতুন পরিকল্পনায় নিউজিল্যান্ডের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই লিগ ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মতো মডেলে পরিচালিত হবে, যেখানে লিগের লাইসেন্স থাকবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেসি) হাতে, কিন্তু পরিচালনা স্বতন্ত্রভাবে হবে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এখনো এই প্রস্তাবের বিষয়ে সবুজ সংকেত দেয়নি, তবে অনুমোদন পেলে এটি সুপার স্ম্যাশের স্থান দখল করবে বলে মনে করছেন ম্যাককিনন। ২০১৪ সালে এক সময়ে এনজেসি এমন একটি প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিল, তখন বোর্ড মনে করেছিল, আইপিএল বা বিগব্যাশের সাথে প্রতিযোগিতা করাটা কঠিন হবে।

ম্যাককিননের মতে, এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং নিউজিল্যান্ডের নিজস্ব টি-টোয়েন্টি ব্র্যান্ড তৈরির সময় এসেছে। তিনি আরও জানান, কিংবদন্তি ক্রিকেটার স্টিফেন ফ্লেমিংসহ অনেকেই নামীদামি ব্যক্তিগত মালিকানার লিগের পক্ষে মত দিয়েছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে।

তবে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সময়সূচি নির্ধারণ, যাতে বিগব্যাশ (বিবিএল), আইপিএল, এসএ২০ বা আইএলটি২০ এর সঙ্গে সংঘাত না হয়। কারণ এসব লিগে অনেক কিউই ক্রিকেটার নিয়মিত খেলেন, তাই সময় নির্ধারণ করাই সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।