০৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

পুতিনের মন্তব্য: পশ্চিমা সম্মান না থাকায় রাশিয়াকে যুদ্ধ করতে হবে না

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের পর যেন আর কোনও সামরিক অভিযান বা যুদ্ধ হতে না পারে, তার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোকে রাশিয়াকে সম্মান এবং তার নিরাপত্তা বিষয়ক স্বার্থের গুরুত্ব বোঝাতে হবে। তিনি এসব মন্তব্য করেন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক দীর্ঘ, সাড়ে চার ঘণ্টার সরাসরি সম্প্রচার ‘ডিরেক্ট লাইন’-এ।

শুক্রবার এই বৈশাখী ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন পুতিন। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, ‘অন্য কোথাও রাশিয়া কি আবার আর কোনো বিশেষ সামরিক অভিযান চালাবে?’ উত্তরে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘যদি পশ্চিমা দেশগুলো আমাদের সম্মান করে, তাহলে আর কোনো অভিযান বা যুদ্ধ হবে না। আমরা যেমন আপনাদের সম্মান করার চেষ্টা করছি, আপনাদেরও যদি আমাদের সম্মান করতে হয়, তাহলে আর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’

এর আগে, বেশ কিছু দিন আগে, রুশ প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন যে, রাশিয়া ইউরোপের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধের পরিকল্পনা করছে না। তবে, যদি পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে রাশিয়া প্রস্তুত রয়েছে লড়াই চালিয়ে যেতে। তিনি শর্ত chỉnh দেন, ন্যাটো যদি পূর্ব ইউরোপের সম্প্রসারণ নিয়ে প্রতারণা না করে, তাহলেই যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব।

ইউক্রেন সংকটের বিষয়ে পুতিন বলেন, রাশিয়া শান্তিপূর্ণভাবে যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত। তবে তিনি কোনও আপসের সম্ভাবনা দেখছেন না। পাশাপাশি, দাবি করেন, ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রুখে দিতে হবে এবং রাশিয়ার দখলে থাকা চারটি অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনাদের সরিয়ে নিতে হবে। তিনি বিশেষ করে দখলকৃত ডনবাস অঞ্চলের পুরো নিয়ন্ত্রণ ফেরত পেতে চান।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, পুতিন স্বীকার করেন যে, দেশের মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া ও ভ্যাট বৃদ্ধির মতো সমস্যাগুলো রয়েছে। এরই মধ্যে, রুশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমিয়ে ১৬ শতাংশে নামানোর ঘোষণা দেয়। দেশের অর্থনীতি, বৈদেশিক নীতি ও সামরিক কার্যক্রমের পাশাপাশি, অনুষ্ঠানে মাতৃভূমি, প্রবীণ সেনাদের সম্মান ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়।

উপদেশের ভাষায়, পুতিন উল্লেখ করেন, পশ্চিমা শক্তিগুলো ইউক্রেনের মাধ্যমে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে। তবে, তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের সঙ্গে ‘সমান মর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে’ কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে, পশ্চিমাদের ন্যাটোর ওপর হামলার আশঙ্কা থাকলেও, পুতিন তা আবারও নাকচ করে দেন, বলে জানান যে, রাশিয়া কোনো হামলার পরিকল্পনা করছে না।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

পুতিনের মন্তব্য: পশ্চিমা সম্মান না থাকায় রাশিয়াকে যুদ্ধ করতে হবে না

প্রকাশিতঃ ১১:৫৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের পর যেন আর কোনও সামরিক অভিযান বা যুদ্ধ হতে না পারে, তার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোকে রাশিয়াকে সম্মান এবং তার নিরাপত্তা বিষয়ক স্বার্থের গুরুত্ব বোঝাতে হবে। তিনি এসব মন্তব্য করেন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক দীর্ঘ, সাড়ে চার ঘণ্টার সরাসরি সম্প্রচার ‘ডিরেক্ট লাইন’-এ।

শুক্রবার এই বৈশাখী ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন পুতিন। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, ‘অন্য কোথাও রাশিয়া কি আবার আর কোনো বিশেষ সামরিক অভিযান চালাবে?’ উত্তরে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘যদি পশ্চিমা দেশগুলো আমাদের সম্মান করে, তাহলে আর কোনো অভিযান বা যুদ্ধ হবে না। আমরা যেমন আপনাদের সম্মান করার চেষ্টা করছি, আপনাদেরও যদি আমাদের সম্মান করতে হয়, তাহলে আর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’

এর আগে, বেশ কিছু দিন আগে, রুশ প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন যে, রাশিয়া ইউরোপের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধের পরিকল্পনা করছে না। তবে, যদি পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে রাশিয়া প্রস্তুত রয়েছে লড়াই চালিয়ে যেতে। তিনি শর্ত chỉnh দেন, ন্যাটো যদি পূর্ব ইউরোপের সম্প্রসারণ নিয়ে প্রতারণা না করে, তাহলেই যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব।

ইউক্রেন সংকটের বিষয়ে পুতিন বলেন, রাশিয়া শান্তিপূর্ণভাবে যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত। তবে তিনি কোনও আপসের সম্ভাবনা দেখছেন না। পাশাপাশি, দাবি করেন, ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রুখে দিতে হবে এবং রাশিয়ার দখলে থাকা চারটি অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনাদের সরিয়ে নিতে হবে। তিনি বিশেষ করে দখলকৃত ডনবাস অঞ্চলের পুরো নিয়ন্ত্রণ ফেরত পেতে চান।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, পুতিন স্বীকার করেন যে, দেশের মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া ও ভ্যাট বৃদ্ধির মতো সমস্যাগুলো রয়েছে। এরই মধ্যে, রুশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমিয়ে ১৬ শতাংশে নামানোর ঘোষণা দেয়। দেশের অর্থনীতি, বৈদেশিক নীতি ও সামরিক কার্যক্রমের পাশাপাশি, অনুষ্ঠানে মাতৃভূমি, প্রবীণ সেনাদের সম্মান ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়।

উপদেশের ভাষায়, পুতিন উল্লেখ করেন, পশ্চিমা শক্তিগুলো ইউক্রেনের মাধ্যমে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে। তবে, তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের সঙ্গে ‘সমান মর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে’ কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে, পশ্চিমাদের ন্যাটোর ওপর হামলার আশঙ্কা থাকলেও, পুতিন তা আবারও নাকচ করে দেন, বলে জানান যে, রাশিয়া কোনো হামলার পরিকল্পনা করছে না।