০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঈদের আগেই পাইলট শুরু: ইমাম-পুরোহিতরা পাচ্ছেন মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট: ভোক্তারা দিচ্ছেন বেশি দাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এখনও করা হয়নি: জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারী অপসারণ, এক ঘণ্টার মধ্যে সিআইডি’র অর্থপাচার তদন্ত শুরু সোমবার ফ্যামিলি কার্ডের সংবাদ সম্মেলন, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৬ মার্চ দেশের খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন ঈদের ছুটির মাঝে ১৮ মার্চেও সরকারি ছুটি ঘোষণা হাইকোর্টে চার মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক খালেদা জিয়া পেলেন ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা, জাইমা রহমান গ্রহণ করলেন খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান

জয়পুরহাটে জ্বালানি তেলের সংকটে ভোগান্তি বাড়ছে

জয়পুরহাট জেলায় বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনগুলিতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। অনেক পাম্পে তেল বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ যাত্রীরা ব্যাপক চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের 적극 ব্যবস্থা চাচ্ছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, রোববার (৮ মার্চ) ভোর থেকে জেলা সদর এবং বিভিন্ন উপজেলার ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কমে গেছে। এর ফলে বেশ কিছু পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ করতে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। অনেক চালক তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

মোটরসাইকেল চালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, আমি প্রতিদিন প্রায় ৫০ কিলোমিটার মোটরসাইকেল চালাই। তেলের রিজার্ভে যাওয়ার কারণে আজ আমি ২০০ টাকার অকটেন তুলতে এসেছিলাম, কিন্তু পাম্পে তেল নেই। স্বাভাবিক ছিলো যে, কোনও কোনও পাম্পে তেল থাকলেও এখন সবই বন্ধ। আমার মোটরসাইকেল এখন আর দেড় দশাকিলোমিটারই চলবে, তারপর বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে আমার কাজ বন্ধসহ অসুবিধায় পড়তে হবে।

আরেক মোটরসাইকেল চালক সাব্বির হোসেন বলেন, যদি দেশজুড়ে জ্বালানি প্রাচুর্য থাকে, তাহলে কেন পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে না? অনেক পাম্প বলছে, তেল শেষ। ভয় করছি যে, কেন্দ্রীয় কারণ ছাড়াই আতঙ্কের কারণে দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন কিছু পাম্পের কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে, সরকার ও মন্ত্রীর দপ্তর বলছেন, তেলের কোন সংকট নয়।

ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আজকের মতো সরবরাহ বন্ধ থাকছে। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এই সংকটের মূল কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফলে, এর প্রভাবে যানবাহনের চলাচল কমে গেছে, যা পর্যাপ্ত কর্মব্যস্ত মানুষ, যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ ও ভোগান্তি বৃদ্ধি করছে। কিছু ফিলিং স্টেশন দাবি করছে, তাদের কাছে তেল থাকলেও আতঙ্কে বিক্রি বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে, স্থানীয়দের একাংশ অভিযোগ করছেন, পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য কিছু পাম্প তেল বিক্রি বন্ধ করে রেখেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদের আগেই পাইলট শুরু: ইমাম-পুরোহিতরা পাচ্ছেন মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা

জয়পুরহাটে জ্বালানি তেলের সংকটে ভোগান্তি বাড়ছে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

জয়পুরহাট জেলায় বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনগুলিতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। অনেক পাম্পে তেল বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ যাত্রীরা ব্যাপক চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের 적극 ব্যবস্থা চাচ্ছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, রোববার (৮ মার্চ) ভোর থেকে জেলা সদর এবং বিভিন্ন উপজেলার ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ অনেক কমে গেছে। এর ফলে বেশ কিছু পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ করতে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। অনেক চালক তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

মোটরসাইকেল চালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, আমি প্রতিদিন প্রায় ৫০ কিলোমিটার মোটরসাইকেল চালাই। তেলের রিজার্ভে যাওয়ার কারণে আজ আমি ২০০ টাকার অকটেন তুলতে এসেছিলাম, কিন্তু পাম্পে তেল নেই। স্বাভাবিক ছিলো যে, কোনও কোনও পাম্পে তেল থাকলেও এখন সবই বন্ধ। আমার মোটরসাইকেল এখন আর দেড় দশাকিলোমিটারই চলবে, তারপর বন্ধ হয়ে যাবে। এর ফলে আমার কাজ বন্ধসহ অসুবিধায় পড়তে হবে।

আরেক মোটরসাইকেল চালক সাব্বির হোসেন বলেন, যদি দেশজুড়ে জ্বালানি প্রাচুর্য থাকে, তাহলে কেন পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে না? অনেক পাম্প বলছে, তেল শেষ। ভয় করছি যে, কেন্দ্রীয় কারণ ছাড়াই আতঙ্কের কারণে দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন কিছু পাম্পের কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে, সরকার ও মন্ত্রীর দপ্তর বলছেন, তেলের কোন সংকট নয়।

ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আজকের মতো সরবরাহ বন্ধ থাকছে। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এই সংকটের মূল কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফলে, এর প্রভাবে যানবাহনের চলাচল কমে গেছে, যা পর্যাপ্ত কর্মব্যস্ত মানুষ, যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ ও ভোগান্তি বৃদ্ধি করছে। কিছু ফিলিং স্টেশন দাবি করছে, তাদের কাছে তেল থাকলেও আতঙ্কে বিক্রি বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে, স্থানীয়দের একাংশ অভিযোগ করছেন, পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য কিছু পাম্প তেল বিক্রি বন্ধ করে রেখেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।