০৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অমিত শাহের সঙ্গে বিজিবি মহাপরিচালকের সাক্ষ্যকে ‘গোপন বৈঠক’ বলা ভিত্তিহীন: বিজিবির ব্যাখ্যা অসৌজন্যমূলক আচরণে ভারতের সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন জাহেদ উর রহমান অমিত শাহের সঙ্গে মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ ‘গোপন বৈঠক’ নয়: বিজিবির ব্যাখ্যা দিল্লি বিমানবন্দরে অসৌজন্যমূল্যের প্রতিবাদে ভারত সফর বাতিল করেছেন ডা. জাহেদ উর রহমান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: ঢাকার ভেতর থেকে সরানো হবে তিনটি দূরপাল্লা বাস টার্মিনাল সম্পূরক বাজেটে ব্যয় কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা; ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি নয়াদিল্লি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ঢাকার যানজট কমাতে তিনটি প্রধান বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংক বাতিল করল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, জহিরকে প্রশাসক নিয়োগ নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে আটকে পড়ায় সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান

চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে বাংলাদেশ জিতল ৬টি সম্মাননা

চীনের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো ও ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলায় বড় সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এবারের মেলায় দেশটি মোট চারটি বিভাগে ছয়টি পুরস্কার জিতেছে এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ‘আউটস্ট্যান্ডিং এক্সিবিশন অর্গানাইজার’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছে।

ইপিবির পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেন ও উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম। সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার তুলে দেন ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের উপ-মহাপরিচালক সুন মিং।

বাংলাদেশি প্রদর্শনীগুলোতে দেশীয় জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোও নজর কেড়েছে। বিক্রেতা ও উদ্যোগ হিসেবে আড়ং, সাসটেইনেবল বাংলাদেশ ও ক্লে ইমেজকে ‘বেস্ট এক্সিবিটর’ হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি দলগতভাবে বাংলাদেশ ‘বেস্ট প্যাভিলিয়ন’ ও ‘বেস্ট বুথ ডিজাইন’ ক্যাটাগরিতেও পুরস্কার জিতে নেয়।

এ মেলার উদ্বোধন ছিলেন ১১ জুন; বাংলাদেশ পক্ষে উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো। এবারের মেলায় বাংলাদেশ ‘থিম কান্ট্রি’ হিসেবে অংশগ্রহণ করে এবং রেকর্ড সংখ্যক ১০১টি দেশি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৭৫ জন প্রতিনিধি এখানে অংশ নেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মেলার সাইড ইভেন্টে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা ও বিনিয়োগ আকর্ষণ নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এই আয়োজন ছিলো বহুজাতিক—বিশ্বের ৬৮টি দেশের ২৩০০টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে মেলা কার্যক্রম চলেছে। মেলায় ‘বাংলাদেশ ডে’ পালন করে বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও পণ্যের ব্যাপক প্রচার-প্রসার করা হয়, যা পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টিে সহায়ক হবে বলে সংগঠকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

চীনের বাজারে প্রবেশ এবং রপ্তানি বাড়াতে এই অর্জনকে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের অগ্রসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইপিবি ও অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো এখন সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদার ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার মাধ্যমে বাস্তব চুক্তি ও সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেই।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অসৌজন্যমূলক আচরণে ভারতের সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন জাহেদ উর রহমান

চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে বাংলাদেশ জিতল ৬টি সম্মাননা

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

চীনের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো ও ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলায় বড় সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এবারের মেলায় দেশটি মোট চারটি বিভাগে ছয়টি পুরস্কার জিতেছে এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ‘আউটস্ট্যান্ডিং এক্সিবিশন অর্গানাইজার’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছে।

ইপিবির পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেন ও উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম। সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার তুলে দেন ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের উপ-মহাপরিচালক সুন মিং।

বাংলাদেশি প্রদর্শনীগুলোতে দেশীয় জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোও নজর কেড়েছে। বিক্রেতা ও উদ্যোগ হিসেবে আড়ং, সাসটেইনেবল বাংলাদেশ ও ক্লে ইমেজকে ‘বেস্ট এক্সিবিটর’ হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি দলগতভাবে বাংলাদেশ ‘বেস্ট প্যাভিলিয়ন’ ও ‘বেস্ট বুথ ডিজাইন’ ক্যাটাগরিতেও পুরস্কার জিতে নেয়।

এ মেলার উদ্বোধন ছিলেন ১১ জুন; বাংলাদেশ পক্ষে উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো। এবারের মেলায় বাংলাদেশ ‘থিম কান্ট্রি’ হিসেবে অংশগ্রহণ করে এবং রেকর্ড সংখ্যক ১০১টি দেশি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৭৫ জন প্রতিনিধি এখানে অংশ নেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মেলার সাইড ইভেন্টে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা ও বিনিয়োগ আকর্ষণ নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এই আয়োজন ছিলো বহুজাতিক—বিশ্বের ৬৮টি দেশের ২৩০০টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে মেলা কার্যক্রম চলেছে। মেলায় ‘বাংলাদেশ ডে’ পালন করে বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও পণ্যের ব্যাপক প্রচার-প্রসার করা হয়, যা পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টিে সহায়ক হবে বলে সংগঠকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

চীনের বাজারে প্রবেশ এবং রপ্তানি বাড়াতে এই অর্জনকে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের অগ্রসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইপিবি ও অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো এখন সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদার ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার মাধ্যমে বাস্তব চুক্তি ও সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেই।