০৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অমিত শাহের সঙ্গে বিজিবি মহাপরিচালকের সাক্ষ্যকে ‘গোপন বৈঠক’ বলা ভিত্তিহীন: বিজিবির ব্যাখ্যা অসৌজন্যমূলক আচরণে ভারতের সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন জাহেদ উর রহমান অমিত শাহের সঙ্গে মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ ‘গোপন বৈঠক’ নয়: বিজিবির ব্যাখ্যা দিল্লি বিমানবন্দরে অসৌজন্যমূল্যের প্রতিবাদে ভারত সফর বাতিল করেছেন ডা. জাহেদ উর রহমান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: ঢাকার ভেতর থেকে সরানো হবে তিনটি দূরপাল্লা বাস টার্মিনাল সম্পূরক বাজেটে ব্যয় কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা; ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি নয়াদিল্লি থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ঢাকার যানজট কমাতে তিনটি প্রধান বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংক বাতিল করল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, জহিরকে প্রশাসক নিয়োগ নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে আটকে পড়ায় সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান

সিডনিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশের ১১ পোশাক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে সিডনিতে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’। ১৬ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের ১১টি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে।

বাংলাদেশি স্টলগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের বাণিজ্য কাউন্সেলর রনি চাকমা, মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী জুলি হল্ট এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন আমদানিকারক ও বাংলাদেশি প্রতিনিধিরা।

বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশ থেকে মোটামুটি ৬০০ প্রদর্শক অংশগ্রহণকারী এই মেলা অস্ট্রেলীয় বাজারে পণ্য সরবরাহের প্রধান আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মান্যতা পেয়েছে। স্থানীয় ক্রেতা ও বড় রিটেইলারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ গড়ে তোলার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলে আয়োজকরা মনে করছেন।

মেলার দ্বিতীয় দিনে, ১৭ জুন, ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প ও অন্যান্য উদীয়মান খাত: টেকসই উৎপাদন এবং অস্ট্রেলিয়া‑বাংলাদেশ বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনা এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার দিকগুলো তুলে ধরবেন বাণিজ্য কাউন্সেলর রনি চাকমা। মেলার উদ্বোধনী দিনেই অস্ট্রেলিয়া ট্রেড অ্যান্ড লজিস্টিকস করপোরেশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের জন্য একটি ব্যবসায়িক দিকনির্দেশনামূলক সেশন আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো মেলায় আগত বৈশ্বিক ক্রেতা, বিপণনকারী ও বড় খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং বিজনেস‑টু‑বিজনেস নেটওয়ার্ক গড়ার সুযোগ পাচ্ছে। আয়োজকদের অনূানুমান ও অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যাশা, এসব উদ্যোগ অস্ট্রেলিয়ার পোশাক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান জোরদার করবে এবং নতুন বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও রপ্তানির পথ খুলে দেবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অসৌজন্যমূলক আচরণে ভারতের সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন জাহেদ উর রহমান

সিডনিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশের ১১ পোশাক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে সিডনিতে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’। ১৬ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের ১১টি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে।

বাংলাদেশি স্টলগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের বাণিজ্য কাউন্সেলর রনি চাকমা, মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী জুলি হল্ট এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন আমদানিকারক ও বাংলাদেশি প্রতিনিধিরা।

বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশ থেকে মোটামুটি ৬০০ প্রদর্শক অংশগ্রহণকারী এই মেলা অস্ট্রেলীয় বাজারে পণ্য সরবরাহের প্রধান আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মান্যতা পেয়েছে। স্থানীয় ক্রেতা ও বড় রিটেইলারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ গড়ে তোলার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলে আয়োজকরা মনে করছেন।

মেলার দ্বিতীয় দিনে, ১৭ জুন, ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প ও অন্যান্য উদীয়মান খাত: টেকসই উৎপাদন এবং অস্ট্রেলিয়া‑বাংলাদেশ বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনা এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার দিকগুলো তুলে ধরবেন বাণিজ্য কাউন্সেলর রনি চাকমা। মেলার উদ্বোধনী দিনেই অস্ট্রেলিয়া ট্রেড অ্যান্ড লজিস্টিকস করপোরেশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের জন্য একটি ব্যবসায়িক দিকনির্দেশনামূলক সেশন আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো মেলায় আগত বৈশ্বিক ক্রেতা, বিপণনকারী ও বড় খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় এবং বিজনেস‑টু‑বিজনেস নেটওয়ার্ক গড়ার সুযোগ পাচ্ছে। আয়োজকদের অনূানুমান ও অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যাশা, এসব উদ্যোগ অস্ট্রেলিয়ার পোশাক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান জোরদার করবে এবং নতুন বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও রপ্তানির পথ খুলে দেবে।