০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭ বাংলাদেশের পাশে লোভনীয় চাকরির টোপে কম্বোডিয়ায় বন্দি হচ্ছেন বাংলাদেশিরা এলডিসি উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭-এর সমর্থন নিশ্চিত লোভনীয় চাকরির ফাঁদ: কম্বোডিয়ার ‘সাইবার দাসত্বে’ বন্দি বাংলাদেশিরা এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার

আবার কি মেসিই ব্যালন ডি’অর জিতবেন?

২০২৩ সালে ইউরোপ অধ্যায় শেষ করে লিওনেল মেসি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন। ইউরোপীয় ক্লাবের বাইরে খেললেও এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের সামনে ব্যালন ডি’অর জয়ের অনুভূতি ম্লান হয়নি — বরং নতুন করে জোরালো হয়েছে।

ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন সম্প্রতি স্পষ্ট করে জানায় যে ব্যালন ডি’অর জেতার জন্য কোনো ফুটবলারের ইউরোপে খেলা বাধ্যতামূলক নয়। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেললেও, যদি কোনো খেলোয়াড় সেই বছরে সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখাতে পারে, তবে তার জয়ের সুযোগ রয়েছে।

ইতিহাসে একসময় এই পুরস্কারটি মূলত ইউরোপীয় ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে প্রতিযোগিতাটি আন্তর্জাতিক স্বরে খোলা হলেও তখনও ইউরোপীয় ক্লাবে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচিত হত। পরে বিধি বদলান হয় এবং পারফরম্যান্স ভিত্তিক মূল্যায়নকে গুরুত্ব দিয়ে পুরস্কারটি আরও সার্বজনীন করা হয়। ফলশ্রুতিতে, অধিকাংশ বিজেতাই পরবর্তী বছরগুলোতে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবের হয়ে খেলে এই খেতাবটি পেয়েছেন — উদাহরণ হিসেবে বলা যায় কাকা (২০০৭), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (২০০৮), লিওনেল মেসি (২০০৯), লুকা মদরিচ (২০১৮) ও করিম বেনজেমা (২০২২) ইত্যাদি।

তবে ২০২৩ সালে মেসি যখন ইন্টার মায়ামির জার্সিতে ৬৭তম ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন, তখনই পুরস্কারের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয় — কোনো অ-ইউরোপীয় ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে পুরুষ বিভাগে এই খেতাব জেতা প্রথম কীর্তি। ফ্রান্স ফুটবলের সাম্প্রতিক ব্যাখ্যা এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনকে পুনর্ব্যক্ত করেছে: যোগ্যতা এবং সৎ মূল্যায়নের মাধ্যমে যে কেউ ব্রেস্টারও হতে পারেন।

এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে যখন মেসি আন্তর্জাতিক মঞ্চে চমকপ্রদ ফর্ম দেখাচ্ছেন এবং তাই ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে তার অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। ফ্রান্স ফুটবলের কথায়, পুরস্কারটিতে ‘‘কোনো কিছুই অসম্ভব নয়’’ — অর্থাৎ বিশ্বের যেকোনো লিগেই খেলুক, যদি খেলোয়াড় তাঁর বছরের সেরাটা দেখাতে পারেন, তাহলে ব্যালন ডি’অর তার জন্যও উন্মুক্ত।

সংক্ষেপে বলা যায়, মেসির গণনা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা গেলেও নিয়মগত কোনো বাধা নেই। তার বর্তমান ফর্ম ও আন্তর্জাতিক সফলতায় বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে তিনি নবম ব্যালন ডি’অরের অন্যতম প্রধান দাবিদার হতে পারেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

লোভনীয় চাকরির টোপে কম্বোডিয়ায় বন্দি হচ্ছেন বাংলাদেশিরা

আবার কি মেসিই ব্যালন ডি’অর জিতবেন?

প্রকাশিতঃ ০২:২২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

২০২৩ সালে ইউরোপ অধ্যায় শেষ করে লিওনেল মেসি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন। ইউরোপীয় ক্লাবের বাইরে খেললেও এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের সামনে ব্যালন ডি’অর জয়ের অনুভূতি ম্লান হয়নি — বরং নতুন করে জোরালো হয়েছে।

ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন সম্প্রতি স্পষ্ট করে জানায় যে ব্যালন ডি’অর জেতার জন্য কোনো ফুটবলারের ইউরোপে খেলা বাধ্যতামূলক নয়। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেললেও, যদি কোনো খেলোয়াড় সেই বছরে সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখাতে পারে, তবে তার জয়ের সুযোগ রয়েছে।

ইতিহাসে একসময় এই পুরস্কারটি মূলত ইউরোপীয় ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে প্রতিযোগিতাটি আন্তর্জাতিক স্বরে খোলা হলেও তখনও ইউরোপীয় ক্লাবে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচিত হত। পরে বিধি বদলান হয় এবং পারফরম্যান্স ভিত্তিক মূল্যায়নকে গুরুত্ব দিয়ে পুরস্কারটি আরও সার্বজনীন করা হয়। ফলশ্রুতিতে, অধিকাংশ বিজেতাই পরবর্তী বছরগুলোতে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবের হয়ে খেলে এই খেতাবটি পেয়েছেন — উদাহরণ হিসেবে বলা যায় কাকা (২০০৭), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (২০০৮), লিওনেল মেসি (২০০৯), লুকা মদরিচ (২০১৮) ও করিম বেনজেমা (২০২২) ইত্যাদি।

তবে ২০২৩ সালে মেসি যখন ইন্টার মায়ামির জার্সিতে ৬৭তম ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন, তখনই পুরস্কারের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয় — কোনো অ-ইউরোপীয় ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে পুরুষ বিভাগে এই খেতাব জেতা প্রথম কীর্তি। ফ্রান্স ফুটবলের সাম্প্রতিক ব্যাখ্যা এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনকে পুনর্ব্যক্ত করেছে: যোগ্যতা এবং সৎ মূল্যায়নের মাধ্যমে যে কেউ ব্রেস্টারও হতে পারেন।

এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে যখন মেসি আন্তর্জাতিক মঞ্চে চমকপ্রদ ফর্ম দেখাচ্ছেন এবং তাই ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে তার অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। ফ্রান্স ফুটবলের কথায়, পুরস্কারটিতে ‘‘কোনো কিছুই অসম্ভব নয়’’ — অর্থাৎ বিশ্বের যেকোনো লিগেই খেলুক, যদি খেলোয়াড় তাঁর বছরের সেরাটা দেখাতে পারেন, তাহলে ব্যালন ডি’অর তার জন্যও উন্মুক্ত।

সংক্ষেপে বলা যায়, মেসির গণনা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা গেলেও নিয়মগত কোনো বাধা নেই। তার বর্তমান ফর্ম ও আন্তর্জাতিক সফলতায় বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে তিনি নবম ব্যালন ডি’অরের অন্যতম প্রধান দাবিদার হতে পারেন।