১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আবার কি মেসিই ব্যালন ডি’অর জিতবেন?

২০২৩ সালে ইউরোপ অধ্যায় শেষ করে লিওনেল মেসি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন। ইউরোপীয় ক্লাবের বাইরে খেললেও এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের সামনে ব্যালন ডি’অর জয়ের অনুভূতি ম্লান হয়নি — বরং নতুন করে জোরালো হয়েছে।

ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন সম্প্রতি স্পষ্ট করে জানায় যে ব্যালন ডি’অর জেতার জন্য কোনো ফুটবলারের ইউরোপে খেলা বাধ্যতামূলক নয়। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেললেও, যদি কোনো খেলোয়াড় সেই বছরে সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখাতে পারে, তবে তার জয়ের সুযোগ রয়েছে।

ইতিহাসে একসময় এই পুরস্কারটি মূলত ইউরোপীয় ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে প্রতিযোগিতাটি আন্তর্জাতিক স্বরে খোলা হলেও তখনও ইউরোপীয় ক্লাবে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচিত হত। পরে বিধি বদলান হয় এবং পারফরম্যান্স ভিত্তিক মূল্যায়নকে গুরুত্ব দিয়ে পুরস্কারটি আরও সার্বজনীন করা হয়। ফলশ্রুতিতে, অধিকাংশ বিজেতাই পরবর্তী বছরগুলোতে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবের হয়ে খেলে এই খেতাবটি পেয়েছেন — উদাহরণ হিসেবে বলা যায় কাকা (২০০৭), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (২০০৮), লিওনেল মেসি (২০০৯), লুকা মদরিচ (২০১৮) ও করিম বেনজেমা (২০২২) ইত্যাদি।

তবে ২০২৩ সালে মেসি যখন ইন্টার মায়ামির জার্সিতে ৬৭তম ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন, তখনই পুরস্কারের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয় — কোনো অ-ইউরোপীয় ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে পুরুষ বিভাগে এই খেতাব জেতা প্রথম কীর্তি। ফ্রান্স ফুটবলের সাম্প্রতিক ব্যাখ্যা এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনকে পুনর্ব্যক্ত করেছে: যোগ্যতা এবং সৎ মূল্যায়নের মাধ্যমে যে কেউ ব্রেস্টারও হতে পারেন।

এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে যখন মেসি আন্তর্জাতিক মঞ্চে চমকপ্রদ ফর্ম দেখাচ্ছেন এবং তাই ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে তার অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। ফ্রান্স ফুটবলের কথায়, পুরস্কারটিতে ‘‘কোনো কিছুই অসম্ভব নয়’’ — অর্থাৎ বিশ্বের যেকোনো লিগেই খেলুক, যদি খেলোয়াড় তাঁর বছরের সেরাটা দেখাতে পারেন, তাহলে ব্যালন ডি’অর তার জন্যও উন্মুক্ত।

সংক্ষেপে বলা যায়, মেসির গণনা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা গেলেও নিয়মগত কোনো বাধা নেই। তার বর্তমান ফর্ম ও আন্তর্জাতিক সফলতায় বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে তিনি নবম ব্যালন ডি’অরের অন্যতম প্রধান দাবিদার হতে পারেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আবার কি মেসিই ব্যালন ডি’অর জিতবেন?

প্রকাশিতঃ ০২:২২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

২০২৩ সালে ইউরোপ অধ্যায় শেষ করে লিওনেল মেসি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন। ইউরোপীয় ক্লাবের বাইরে খেললেও এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের সামনে ব্যালন ডি’অর জয়ের অনুভূতি ম্লান হয়নি — বরং নতুন করে জোরালো হয়েছে।

ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন সম্প্রতি স্পষ্ট করে জানায় যে ব্যালন ডি’অর জেতার জন্য কোনো ফুটবলারের ইউরোপে খেলা বাধ্যতামূলক নয়। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেললেও, যদি কোনো খেলোয়াড় সেই বছরে সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখাতে পারে, তবে তার জয়ের সুযোগ রয়েছে।

ইতিহাসে একসময় এই পুরস্কারটি মূলত ইউরোপীয় ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৯৫ সালে প্রতিযোগিতাটি আন্তর্জাতিক স্বরে খোলা হলেও তখনও ইউরোপীয় ক্লাবে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে বিবেচিত হত। পরে বিধি বদলান হয় এবং পারফরম্যান্স ভিত্তিক মূল্যায়নকে গুরুত্ব দিয়ে পুরস্কারটি আরও সার্বজনীন করা হয়। ফলশ্রুতিতে, অধিকাংশ বিজেতাই পরবর্তী বছরগুলোতে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবের হয়ে খেলে এই খেতাবটি পেয়েছেন — উদাহরণ হিসেবে বলা যায় কাকা (২০০৭), ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (২০০৮), লিওনেল মেসি (২০০৯), লুকা মদরিচ (২০১৮) ও করিম বেনজেমা (২০২২) ইত্যাদি।

তবে ২০২৩ সালে মেসি যখন ইন্টার মায়ামির জার্সিতে ৬৭তম ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন, তখনই পুরস্কারের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয় — কোনো অ-ইউরোপীয় ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে পুরুষ বিভাগে এই খেতাব জেতা প্রথম কীর্তি। ফ্রান্স ফুটবলের সাম্প্রতিক ব্যাখ্যা এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনকে পুনর্ব্যক্ত করেছে: যোগ্যতা এবং সৎ মূল্যায়নের মাধ্যমে যে কেউ ব্রেস্টারও হতে পারেন।

এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে যখন মেসি আন্তর্জাতিক মঞ্চে চমকপ্রদ ফর্ম দেখাচ্ছেন এবং তাই ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে তার অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। ফ্রান্স ফুটবলের কথায়, পুরস্কারটিতে ‘‘কোনো কিছুই অসম্ভব নয়’’ — অর্থাৎ বিশ্বের যেকোনো লিগেই খেলুক, যদি খেলোয়াড় তাঁর বছরের সেরাটা দেখাতে পারেন, তাহলে ব্যালন ডি’অর তার জন্যও উন্মুক্ত।

সংক্ষেপে বলা যায়, মেসির গণনা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা গেলেও নিয়মগত কোনো বাধা নেই। তার বর্তমান ফর্ম ও আন্তর্জাতিক সফলতায় বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে তিনি নবম ব্যালন ডি’অরের অন্যতম প্রধান দাবিদার হতে পারেন।