০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ আবারও হরমুজ পার হয়নি এমভি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে आज প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

জনগণের ভোটেই determinar হবে ভবিষ্যৎ সরকার: আমীর খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে। বিএনপি ইতোমধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, এবং জনগণও অধীর আগ্রহে এ নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল বিভাগীয় ব্যবসায়ী ফোরাম আয়োজিত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বলছেন, ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি ও সরকার নির্বাচন করবে। তখন মানুষ তাঁদের পছন্দের জনপ্রতিনিধিদের কাছে নিজেদের মৌলিক চাহিদা প্রকাশ করতে পারবে। এভাবে নির্বাচিত সরকার জনগণের জন্য দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক হবে। তিনি আরও যোগ করেন, বিএনপি একটি নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় রয়েছে। যদি জনগণ আমাদের সমর্থন দেয়, তবে আমরা দ্রুত প্রস্তুতি নিচ্ছি যেন প্রথম দিন থেকেই জনগণের পাশে দাঁড়াতে পারি।

তিনি উল্লেখ করেন, আগে দেশের অর্থনীতি কিছু সীমিত গোষ্ঠীর হাতে ছিল। তবে এখন আমরা চাই দেশের অর্থনীতিকে গণতন্ত্রের আওতায় আনতে। এর জন্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ দিতে হবে। গ্রামের মানুষের তৈরি পণ্যই তাদের জীবনমান উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে।

আমীর খসরু জানান, বিএনপি দেশের সব বিভাগের মানুষকে তাদের সমস্যা শোনছে এবং তাদের দাবিগুলো পূরণের পথ খুঁজছে। বিশেষ করে হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পকে পুনরুদ্ধার, ব্র্যান্ডিং ও আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ ঘরে বসেই পণ্য তৈরি করে তা দেশ-বিদেশে বিক্রি করবে। এতে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, এবং অর্থনীতির মূলধারায় সাধারণ মানুষ যুক্ত হবে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

জনগণের ভোটেই determinar হবে ভবিষ্যৎ সরকার: আমীর খসরু

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে। বিএনপি ইতোমধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, এবং জনগণও অধীর আগ্রহে এ নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল বিভাগীয় ব্যবসায়ী ফোরাম আয়োজিত ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বলছেন, ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রতিনিধি ও সরকার নির্বাচন করবে। তখন মানুষ তাঁদের পছন্দের জনপ্রতিনিধিদের কাছে নিজেদের মৌলিক চাহিদা প্রকাশ করতে পারবে। এভাবে নির্বাচিত সরকার জনগণের জন্য দায়বদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক হবে। তিনি আরও যোগ করেন, বিএনপি একটি নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় রয়েছে। যদি জনগণ আমাদের সমর্থন দেয়, তবে আমরা দ্রুত প্রস্তুতি নিচ্ছি যেন প্রথম দিন থেকেই জনগণের পাশে দাঁড়াতে পারি।

তিনি উল্লেখ করেন, আগে দেশের অর্থনীতি কিছু সীমিত গোষ্ঠীর হাতে ছিল। তবে এখন আমরা চাই দেশের অর্থনীতিকে গণতন্ত্রের আওতায় আনতে। এর জন্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ দিতে হবে। গ্রামের মানুষের তৈরি পণ্যই তাদের জীবনমান উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে।

আমীর খসরু জানান, বিএনপি দেশের সব বিভাগের মানুষকে তাদের সমস্যা শোনছে এবং তাদের দাবিগুলো পূরণের পথ খুঁজছে। বিশেষ করে হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পকে পুনরুদ্ধার, ব্র্যান্ডিং ও আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ ঘরে বসেই পণ্য তৈরি করে তা দেশ-বিদেশে বিক্রি করবে। এতে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, এবং অর্থনীতির মূলধারায় সাধারণ মানুষ যুক্ত হবে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।