০১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

সংকটের মুখে ফরিদা পারভীন, পাশে দাঁড়াতে চায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বাংলাদেশের বরেণ্য লালন সংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন। গত রবিবার রাতে তিনবারের বেশি বমি করেছেন তিনি। প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে, যাতে দ্রুত ও সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা যায়।

এদিকে, শিল্পীর অসুস্থতার খবর টেড়ে বিপাক সৃষ্টি হয়েছে চিকিৎসক-শিল্পী পরিবার ও ভক্ত মহলে। আশঙ্কাজনক এই অবস্থায়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় তার চিকিৎসার খরচ একেবারে 부담ের বাইরে যেখানে, অর্থ সহায়তার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। তাদের ব্যাখ্যায়, প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে যেন তার চিকিৎসা চলমান থাকে।

পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক কিছু সমস্যা ভুগছিলেন। তার ফুসফুসে সংক্রমণ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ও থাইরয়েডের অসুখের পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ছিল। বর্তমানে তার শ্বাসকষ্ট এবং কয়েকবার বমি হওয়ার সমস্যা গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি হাসপাতালে ভর্তি থাকায় পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছে।

সংগীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য পরিচিত এই শিল্পীর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভক্ত ও সহশিল্পীরাই দোয়া ও ভালোবাসায় মুখর হয়ে উঠেছেন। সবাই যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেন এই কামনা করছেন।

ফরিদা পারভীন তার সংগীত জীবনের শুরু ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সংগতভাবে, তিনি লালন সংগীতের প্রশিক্ষণ নেন শিল্পী মোকসেদ আলী শাহর কাছে। তিনি সংগীতাঙ্গনে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে একুশে পদক পান। এছাড়াও, শিশুদের জন্য লালন সংগীত শিক্ষার জন্য তিনি ‘অচিন পাখি স্কুল’ নামে একটি গানের স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা বহু শিশুর সংগীত শিক্ষায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

সংকটের মুখে ফরিদা পারভীন, পাশে দাঁড়াতে চায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

প্রকাশিতঃ ১০:৫২:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বাংলাদেশের বরেণ্য লালন সংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন। গত রবিবার রাতে তিনবারের বেশি বমি করেছেন তিনি। প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে, যাতে দ্রুত ও সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা যায়।

এদিকে, শিল্পীর অসুস্থতার খবর টেড়ে বিপাক সৃষ্টি হয়েছে চিকিৎসক-শিল্পী পরিবার ও ভক্ত মহলে। আশঙ্কাজনক এই অবস্থায়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় তার চিকিৎসার খরচ একেবারে 부담ের বাইরে যেখানে, অর্থ সহায়তার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। তাদের ব্যাখ্যায়, প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে যেন তার চিকিৎসা চলমান থাকে।

পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক কিছু সমস্যা ভুগছিলেন। তার ফুসফুসে সংক্রমণ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ও থাইরয়েডের অসুখের পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ছিল। বর্তমানে তার শ্বাসকষ্ট এবং কয়েকবার বমি হওয়ার সমস্যা গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি হাসপাতালে ভর্তি থাকায় পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছে।

সংগীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য পরিচিত এই শিল্পীর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভক্ত ও সহশিল্পীরাই দোয়া ও ভালোবাসায় মুখর হয়ে উঠেছেন। সবাই যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেন এই কামনা করছেন।

ফরিদা পারভীন তার সংগীত জীবনের শুরু ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সংগতভাবে, তিনি লালন সংগীতের প্রশিক্ষণ নেন শিল্পী মোকসেদ আলী শাহর কাছে। তিনি সংগীতাঙ্গনে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে একুশে পদক পান। এছাড়াও, শিশুদের জন্য লালন সংগীত শিক্ষার জন্য তিনি ‘অচিন পাখি স্কুল’ নামে একটি গানের স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা বহু শিশুর সংগীত শিক্ষায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।