০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

সূর্যবংশীর তাণ্ডব: ৩৬ বলের দ্রুততম সেঞ্চুরি

বিহারের উদীয়মান ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী বিজয় হাজারে ট্রফির ম্যাচে ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন। বুধবার রাঁচির জেএসসিএ ওভাল গ্রাউন্ডে অরুণাচল প্রদেশের বিপক্ষে মাত্র ৩৬ বলে বিধ্বংসী এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তিনি ক্রিকেট বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছেন। এটি তাঁর প্রথম লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে সেঞ্চুরি হলেও, এর মাধ্যমে তিনি নতুন কিছু রেকর্ডও নিজের নামের খাতায় যোগ করেছেন।

ম্যাচের শুরু থেকেই অরুণাচল প্রদেশের বোলারদের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েন বৈভব। অসাধারণ চার-ছক্কার বন্যায় তিনি মাত্র ৩৬ বলেই তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন, যা ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এর আগে এটি সবচেয়ে দ্রুততর সেঞ্চুরি ছিল অমলপ্রীত সিংয়ের, যিনি ২০২৪ সালে মাত্র ৩৫ বলে শতক হাঁকা ছিলেন। বিশ্ব ক্রিকেটের পরিসংখ্যান বলছে, বৈভবের ৩৬ বলের এই সেঞ্চুরি যৌথভাবে চতুর্থ দ্রুততম লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরি।

তার ব্যাটিং এতটাই ধ্বংসাত্মক ছিল যে মাত্র ৫৪ বলেই তিনি দেড়শ রান সম্পন্ন করেন। তাঁর এই প্রভাবশালী ইনিংসের ওপর ভর করে বিহার দল মাত্র ১৮ ওভারে ২০০ রানের গণ্ডি অতিক্রম করে। এর জের ধরে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ক্রিকেটার এবি ডিভিলিয়ার্সের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে থাকা ৬৪ বলের দ্রুততম সেঞ্চুরি রেকর্ডটি ভেঙে ফেলেন। তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডি ভিলিয়ার্সের ৩১ বলের দ্রুততম সেঞ্চুরি রেকর্ডটি এখনও অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, বৈভব সূর্যবংশী ৭০ বলে অপরাজিত থেকে আছেন ১৬৫ রান করে, যার ইনিংসে রয়েছে ১৩টি বিশাল ছক্কা এবং ১৫টি মার্জিত চার। মাত্র সপ্তম লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলতেই এমন ব্যাটিং প্রদর্শন করে তিনি প্রমাণ করেছেন যে অনূর্ধ্ব ১৯ পর্যায় পেরিয়ে বড় মঞ্চেও তিনি রাজত্ব করতে প্রস্তুত। এই ঐতিহাসিক ইনিংসটি ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে এক দীর্ঘ দিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

সূর্যবংশীর তাণ্ডব: ৩৬ বলের দ্রুততম সেঞ্চুরি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বিহারের উদীয়মান ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী বিজয় হাজারে ট্রফির ম্যাচে ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন। বুধবার রাঁচির জেএসসিএ ওভাল গ্রাউন্ডে অরুণাচল প্রদেশের বিপক্ষে মাত্র ৩৬ বলে বিধ্বংসী এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তিনি ক্রিকেট বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছেন। এটি তাঁর প্রথম লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে সেঞ্চুরি হলেও, এর মাধ্যমে তিনি নতুন কিছু রেকর্ডও নিজের নামের খাতায় যোগ করেছেন।

ম্যাচের শুরু থেকেই অরুণাচল প্রদেশের বোলারদের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েন বৈভব। অসাধারণ চার-ছক্কার বন্যায় তিনি মাত্র ৩৬ বলেই তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন, যা ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এর আগে এটি সবচেয়ে দ্রুততর সেঞ্চুরি ছিল অমলপ্রীত সিংয়ের, যিনি ২০২৪ সালে মাত্র ৩৫ বলে শতক হাঁকা ছিলেন। বিশ্ব ক্রিকেটের পরিসংখ্যান বলছে, বৈভবের ৩৬ বলের এই সেঞ্চুরি যৌথভাবে চতুর্থ দ্রুততম লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরি।

তার ব্যাটিং এতটাই ধ্বংসাত্মক ছিল যে মাত্র ৫৪ বলেই তিনি দেড়শ রান সম্পন্ন করেন। তাঁর এই প্রভাবশালী ইনিংসের ওপর ভর করে বিহার দল মাত্র ১৮ ওভারে ২০০ রানের গণ্ডি অতিক্রম করে। এর জের ধরে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ক্রিকেটার এবি ডিভিলিয়ার্সের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে থাকা ৬৪ বলের দ্রুততম সেঞ্চুরি রেকর্ডটি ভেঙে ফেলেন। তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডি ভিলিয়ার্সের ৩১ বলের দ্রুততম সেঞ্চুরি রেকর্ডটি এখনও অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, বৈভব সূর্যবংশী ৭০ বলে অপরাজিত থেকে আছেন ১৬৫ রান করে, যার ইনিংসে রয়েছে ১৩টি বিশাল ছক্কা এবং ১৫টি মার্জিত চার। মাত্র সপ্তম লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলতেই এমন ব্যাটিং প্রদর্শন করে তিনি প্রমাণ করেছেন যে অনূর্ধ্ব ১৯ পর্যায় পেরিয়ে বড় মঞ্চেও তিনি রাজত্ব করতে প্রস্তুত। এই ঐতিহাসিক ইনিংসটি ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে এক দীর্ঘ দিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।