০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

কেরানীগঞ্জে বিস্ফোরণে মাদ্রাসার কক্ষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যা পুরো এলাকাকে আতঙ্কে ফেলে দিয়েছে। এই দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের সময় মাদ্রাসার ভবনের পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষের দেয়াল উড়ে গেছে, যা প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও ককটেল, রাসায়নিক দ্রব্য, বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ বেশ কিছু সন্দেহজনক উপকরণ উদ্ধার করেছে। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে অবস্থিত উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনে এই বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী,শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে কাজ চালিয়ে গেছে। এদিনও অভিযান পরিচালনা করা হয়, যেখানে ককটেল, দাহ্য পদার্থ ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এই ঘটনার জন্য থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং ক্রাইম সিন দলের পাশাপাশি বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে। জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন, তবে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ছুটির দিন থাকায় কোনো বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে এই পরিস্থিতিতে মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের দুই ছেলে উমায়েত (১০), আবদুল্লাহ (৭) আহত হন। আছিয়া ও তাদের সন্তানদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মেট্রো হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভবনের এক পাশে তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম চলত, যেখানে পরিচালকের পরিবারসহ তিন বছর ধরে থাকতেন। পাশের ভবনের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বিস্ফোরণে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ভেতরের আসবাবপত্রও ভেঙে পড়ে। ভবনমালিক পারভীন বেগম জানান, তিন বছর ধরে তার বাড়ির ভাড়া নিয়ে মুফতি হারুন মাদ্রাসাটি পরিচালনা করছিলেন। তিনি তার শ্যালক আলামিন ও শ্যালিকার স্ত্রী আছিয়াকে দায়িত্ব দেন। তবে, অনেক সময়ই তিনি আশেপাশের কার্যক্রম সম্পর্কে যথাযথ ধারণা পাননি। ঘটনার পর পুলিশ ভবন থেকে কেমিক্যাল, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম ব্যাপক পরিমাণে উদ্ধার করেছে। এই ভয়াবহ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

কেরানীগঞ্জে বিস্ফোরণে মাদ্রাসার কক্ষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যা পুরো এলাকাকে আতঙ্কে ফেলে দিয়েছে। এই দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের সময় মাদ্রাসার ভবনের পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষের দেয়াল উড়ে গেছে, যা প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও ককটেল, রাসায়নিক দ্রব্য, বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ বেশ কিছু সন্দেহজনক উপকরণ উদ্ধার করেছে। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে অবস্থিত উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনে এই বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী,শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে কাজ চালিয়ে গেছে। এদিনও অভিযান পরিচালনা করা হয়, যেখানে ককটেল, দাহ্য পদার্থ ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এই ঘটনার জন্য থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং ক্রাইম সিন দলের পাশাপাশি বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে। জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন, তবে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ছুটির দিন থাকায় কোনো বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে এই পরিস্থিতিতে মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের দুই ছেলে উমায়েত (১০), আবদুল্লাহ (৭) আহত হন। আছিয়া ও তাদের সন্তানদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মেট্রো হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভবনের এক পাশে তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম চলত, যেখানে পরিচালকের পরিবারসহ তিন বছর ধরে থাকতেন। পাশের ভবনের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বিস্ফোরণে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ভেতরের আসবাবপত্রও ভেঙে পড়ে। ভবনমালিক পারভীন বেগম জানান, তিন বছর ধরে তার বাড়ির ভাড়া নিয়ে মুফতি হারুন মাদ্রাসাটি পরিচালনা করছিলেন। তিনি তার শ্যালক আলামিন ও শ্যালিকার স্ত্রী আছিয়াকে দায়িত্ব দেন। তবে, অনেক সময়ই তিনি আশেপাশের কার্যক্রম সম্পর্কে যথাযথ ধারণা পাননি। ঘটনার পর পুলিশ ভবন থেকে কেমিক্যাল, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম ব্যাপক পরিমাণে উদ্ধার করেছে। এই ভয়াবহ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।