০৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস — অনলাইন বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ৫ কোটি জরিমানা, ১০ বছর কারাদণ্ড ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকায় সমন্বিত উদ্যোগ—১০৮ হটস্পট চিহ্নিত খামেনির শেষকৃত্যে যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন করমুক্ত আয়সীমা বাড়ল; ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে আর লাগবে না টিআইএন এনবিআরের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও পুতুলনাট্যের পথপ্রদর্শক মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই পানি নিরাপত্তার জন্য যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও পুতুলনাট্য জনক মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই জ্বালানি সংকট ও ব্যয় বৃদ্ধির চাপেঃ বাংলাদেশের পোশাক শিল্প সংকটে

ওষুধের বাড়তি চাহিদা মেটাতে স্কয়ার ফার্মার চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন শুরু

দেশের শীর্ষ ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি তাদের ক্রমবর্ধমান বাজার চাহিদা মেটাতে ও নতুন ওষুধ দ্রুত বাজারে আনার লক্ষ্যে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের এ তথ্য জানিয়েছে।

ডিএসইতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, গতকাল রোববার (২৮ জুন, ২০২৬) স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পরিচালনা পর্ষদের এক বৈঠকে ‘সি টু সি ফার্মা লিমিটেড’-এর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন সংক্রান্ত একটি বিশেষ চুক্তি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ স্কয়ারের ফর্মুলা ও মান নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে সি টু সি ফার্মা প্রস্তুত করবে।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশীয় বাজারে স্কয়ারের ওষুধের যে বাড়তি চাহিদা রয়েছে, সেটি নিজস্ব কারখানার সক্ষমতার পাশাপাশি এই চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকরভাবে মিটিয়ে নেওয়া যাবে। পাশাপাশি নতুন জীবনরক্ষাকারী ওষুধ দ্রুত বাজারজাত করা এবং রিলিজ প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে তারা আশা করছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জও চুক্তির একটি আনুষ্ঠানিক অনুলিপি সরবরাহের জন্য স্কয়ারকে অনুরোধ করেছে; তবে সর্বশেষ তথ্যমতে ওই চুক্তির কপি এখনও স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে পৌঁছায়নি।

প্রেক্ষাপট হিসেবে উল্লেখ্য, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস দীর্ঘদিন ধরে দেশের ওষুধ খাতে প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন বর্তমানে ৮৮৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণির সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (উদ্যোক্তা বা পরিচালকগণ ব্যতীত) মালিকানা রয়েছে ৫৫.৮৫ শতাংশ।

গত রোববার (২৮ জুন) বাণিজ্য শেষে ডিএসইতে স্কয়ারের শেয়ারের সমাপনী দর দাঁড়ায় প্রতি শেয়ার ২২৬ টাকা ৫০ পয়সায়। চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করার ফলে আগামীতে কোম্পানির উৎপাদনক্ষমতা ও মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে বিনিয়োগকারাদের মধ্যে প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল

ওষুধের বাড়তি চাহিদা মেটাতে স্কয়ার ফার্মার চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন শুরু

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

দেশের শীর্ষ ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি তাদের ক্রমবর্ধমান বাজার চাহিদা মেটাতে ও নতুন ওষুধ দ্রুত বাজারে আনার লক্ষ্যে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের এ তথ্য জানিয়েছে।

ডিএসইতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, গতকাল রোববার (২৮ জুন, ২০২৬) স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পরিচালনা পর্ষদের এক বৈঠকে ‘সি টু সি ফার্মা লিমিটেড’-এর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন সংক্রান্ত একটি বিশেষ চুক্তি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ স্কয়ারের ফর্মুলা ও মান নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে সি টু সি ফার্মা প্রস্তুত করবে।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশীয় বাজারে স্কয়ারের ওষুধের যে বাড়তি চাহিদা রয়েছে, সেটি নিজস্ব কারখানার সক্ষমতার পাশাপাশি এই চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকরভাবে মিটিয়ে নেওয়া যাবে। পাশাপাশি নতুন জীবনরক্ষাকারী ওষুধ দ্রুত বাজারজাত করা এবং রিলিজ প্রক্রিয়া সহজ হবে বলে তারা আশা করছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জও চুক্তির একটি আনুষ্ঠানিক অনুলিপি সরবরাহের জন্য স্কয়ারকে অনুরোধ করেছে; তবে সর্বশেষ তথ্যমতে ওই চুক্তির কপি এখনও স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে পৌঁছায়নি।

প্রেক্ষাপট হিসেবে উল্লেখ্য, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস দীর্ঘদিন ধরে দেশের ওষুধ খাতে প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন বর্তমানে ৮৮৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণির সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (উদ্যোক্তা বা পরিচালকগণ ব্যতীত) মালিকানা রয়েছে ৫৫.৮৫ শতাংশ।

গত রোববার (২৮ জুন) বাণিজ্য শেষে ডিএসইতে স্কয়ারের শেয়ারের সমাপনী দর দাঁড়ায় প্রতি শেয়ার ২২৬ টাকা ৫০ পয়সায়। চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করার ফলে আগামীতে কোম্পানির উৎপাদনক্ষমতা ও মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে বিনিয়োগকারাদের মধ্যে প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে।