১১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছেছেন স্মারণ ও বিশ্লেষণে দাবি: নির্বাচন পরিকল্পনায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন মатарবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকা- ৯ ঘণ্টা চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে দ্বিগুণেরও বেশি বাজেটে সংশোধিত এডিপি অনুমোদন সংস্কারের নামে পুরোনো আমলাতান্ত্রিক প্রভাবের পুনর্বাসন: টিআইবির অভিযোগ

অ্যাশেজ দিয়ে খাজার ক্যারিয়ারের শেষ সূচনাঃ দীর্ঘ পথের অবসান

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বস্ত এবং অভিজ্ঞ ব্যাটার উসমান খাজা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার সকালে তিনি সতীর্থদের এই সিদ্ধান্ত জানান, ৩৯ বছর বয়সী এই ওপেনার। চলমান অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টই হবে তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আগামী সপ্তাহে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর ৮৮তম টেস্ট খেলতে নামবেন তিনি। এই মাঠেই তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট জীবন শুরু হয়েছিল, আর এখান থেকেই তিনি свої আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন।

২০১১ সালে কিংবদন্তি ক্রিকেটার রিকি পন্টিং চোট পাওয়ায় প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে সুযোগ পান খাজা। গত ১৫ বছর ধরে তাঁর ক্যারিয়ারে তিনি অজেদের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ৬,০০০ এর বেশি রান সংগ্রহ করেছেন। সিডনিতে বড় হওয়া খাজা অবসরের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানিয়েছেন, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের পাশের কুক রোডে থাকতেন তিনি। ছোটবেলায় যখন দেখতেন মাইকেল স্ল্যাটারকে লাল রঙের ফেরারিতে চড়ে যেতে, তখন থেকেই ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিলেন। অনেক অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া এই ক্রিকেটার কখনও কল্পনাও করেননি, একদিন তাঁকে এমন উজ্জ্বল ক্যারিয়ার উপহার দেবেন সৃষ্টিকর্তা।

উসমান খাজা কেবল একজন সফল ব্যাটারই নন, বরং অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের ইতিহাসে তাঁর একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া এই ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে খেলেন এমন প্রথম পাকিস্তান বংশোদ্ভূত এবং প্রথম মুসলিম ক্রিকেটার। নিজের গায়ের রঙ ও ধর্মীয় পরিচয় উল্লেঙ্গ করে তিনি বলেন, একজন গর্বিত মুসলিম ছেলে হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিনিধিত্ব করা তার জন্য ছিল মহাকাব্যিক এক অর্জন। সিডনি টেস্টের মাধ্যমে তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টি সমাপ্তি জানান। এই প্রস্থানের মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে একজন আদর্শ এবং পরিশ্রমী খেলোয়াড়ের হারিয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক বিদায় ঘণ্টা বেজে উঠল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

অ্যাশেজ দিয়ে খাজার ক্যারিয়ারের শেষ সূচনাঃ দীর্ঘ পথের অবসান

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বস্ত এবং অভিজ্ঞ ব্যাটার উসমান খাজা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার সকালে তিনি সতীর্থদের এই সিদ্ধান্ত জানান, ৩৯ বছর বয়সী এই ওপেনার। চলমান অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টই হবে তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আগামী সপ্তাহে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর ৮৮তম টেস্ট খেলতে নামবেন তিনি। এই মাঠেই তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট জীবন শুরু হয়েছিল, আর এখান থেকেই তিনি свої আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন।

২০১১ সালে কিংবদন্তি ক্রিকেটার রিকি পন্টিং চোট পাওয়ায় প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে সুযোগ পান খাজা। গত ১৫ বছর ধরে তাঁর ক্যারিয়ারে তিনি অজেদের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ৬,০০০ এর বেশি রান সংগ্রহ করেছেন। সিডনিতে বড় হওয়া খাজা অবসরের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানিয়েছেন, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের পাশের কুক রোডে থাকতেন তিনি। ছোটবেলায় যখন দেখতেন মাইকেল স্ল্যাটারকে লাল রঙের ফেরারিতে চড়ে যেতে, তখন থেকেই ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিলেন। অনেক অভাব-অনটনের মধ্য দিয়ে বড় হওয়া এই ক্রিকেটার কখনও কল্পনাও করেননি, একদিন তাঁকে এমন উজ্জ্বল ক্যারিয়ার উপহার দেবেন সৃষ্টিকর্তা।

উসমান খাজা কেবল একজন সফল ব্যাটারই নন, বরং অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের ইতিহাসে তাঁর একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া এই ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলে খেলেন এমন প্রথম পাকিস্তান বংশোদ্ভূত এবং প্রথম মুসলিম ক্রিকেটার। নিজের গায়ের রঙ ও ধর্মীয় পরিচয় উল্লেঙ্গ করে তিনি বলেন, একজন গর্বিত মুসলিম ছেলে হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিনিধিত্ব করা তার জন্য ছিল মহাকাব্যিক এক অর্জন। সিডনি টেস্টের মাধ্যমে তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টি সমাপ্তি জানান। এই প্রস্থানের মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে একজন আদর্শ এবং পরিশ্রমী খেলোয়াড়ের হারিয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক বিদায় ঘণ্টা বেজে উঠল।