০৭:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

পুরুষরা সন্তান জন্ম দিত, পৃথিবীতে যুদ্ধ থাকত না: রানী মুখার্জি

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রানী মুখার্জি সম্প্রতি কাজের জন্য আট ঘন্টার কাজের দাবি নিয়ে চলমান বিতর্কের মাঝে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, যখন তার মেয়ে আদিরা মাত্র ১৪ মাসের মা হয়েছেন, তখন তিনি সিনেমার শুটিং চালিয়ে গিয়েছিলেন, বিশেষ করে দীপিকা পাড়ুকোনের ‘কল্কি’ সিক্যুয়েলে থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়।

রানী মুখার্জি জানান, তখন তিনি তাঁর মেয়ে আদিরার জন্য কঠোর রুটিন অনুসরণ করতেন। সকালে দুধ পাম্প করে শরীর থেকে দুধ সংগ্রহ করে নিয়ে যান এবং ইউনিট ও পরিচালকের সহায়তায় দিনে ৬-৭ ঘণ্টার মধ্যে কাজ সমাপ্ত করে বাড়িতে ফিরে আসতেন। এর ফলে তিনি ট্রাফিকের সমস্যা এড়াতে দুপুরের মধ্যে বাড়ি পৌঁছাতে পারতেন।

তিনি বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতি অনেকের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে, তবে এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক চাহিদা। তিনি জানান, এটা সব পেশাতেই স্বাভাবিক, আমি নিজেও এতক্ষণ কাজ করেছি।

রানী মুখার্জি আরো বলেন, যদি প্রযোজকরা অনুমতি দেন, তাহলে তিনি সিনেমায় কাজ করতে আগ্রহী। বড় কোনো সমস্যা নেই, তবে পছন্দের বিষয়টি এই যে, কেউ কাউকে জোর করছে না। তিনি বিতর্কের মাঝে হেসে বলেন, কল্পনা করুন, যদি পুরুষরা সন্তান জন্ম দিতে পারত, তাহলে নিশ্চয়ই পৃথিবী অনেক শান্ত থাকত। কারণ তখন তারা সন্তানের প্রতি একাগ্র হয়ে থাকত, যতদিন না শিশুটি বড় হয়। তিনি বলেন, পুরুষরা এই অসাধারণ অভিজ্ঞতা পেত না, যা মহিলাদের জন্য এক বিশেষ অনুভুতি—একটি জীবনের সৃষ্টি।

রানী মুখার্জি তাই মনে করেন, এই শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনশীলতা একেকজন নারীর জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা, যা পুরুষরা পায় না। তিনি নিজেকে একজন নারী হিসেবে খুবই গর্বিত বলে উল্লেখ করেন, এই অনুভূতিটা জীবনে কোনো কঠিন মূল্যে পরিবর্তন করবে না। তিনি প্রকাশ করেন, এই অভিজ্ঞতা মানবজীবনের সবচেয়ে কাছাকাছি আসার অনুভূতি—একটি জীবন যুক্ত করার আনন্দ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

পুরুষরা সন্তান জন্ম দিত, পৃথিবীতে যুদ্ধ থাকত না: রানী মুখার্জি

প্রকাশিতঃ ১০:৫২:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রানী মুখার্জি সম্প্রতি কাজের জন্য আট ঘন্টার কাজের দাবি নিয়ে চলমান বিতর্কের মাঝে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, যখন তার মেয়ে আদিরা মাত্র ১৪ মাসের মা হয়েছেন, তখন তিনি সিনেমার শুটিং চালিয়ে গিয়েছিলেন, বিশেষ করে দীপিকা পাড়ুকোনের ‘কল্কি’ সিক্যুয়েলে থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়।

রানী মুখার্জি জানান, তখন তিনি তাঁর মেয়ে আদিরার জন্য কঠোর রুটিন অনুসরণ করতেন। সকালে দুধ পাম্প করে শরীর থেকে দুধ সংগ্রহ করে নিয়ে যান এবং ইউনিট ও পরিচালকের সহায়তায় দিনে ৬-৭ ঘণ্টার মধ্যে কাজ সমাপ্ত করে বাড়িতে ফিরে আসতেন। এর ফলে তিনি ট্রাফিকের সমস্যা এড়াতে দুপুরের মধ্যে বাড়ি পৌঁছাতে পারতেন।

তিনি বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতি অনেকের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে, তবে এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক চাহিদা। তিনি জানান, এটা সব পেশাতেই স্বাভাবিক, আমি নিজেও এতক্ষণ কাজ করেছি।

রানী মুখার্জি আরো বলেন, যদি প্রযোজকরা অনুমতি দেন, তাহলে তিনি সিনেমায় কাজ করতে আগ্রহী। বড় কোনো সমস্যা নেই, তবে পছন্দের বিষয়টি এই যে, কেউ কাউকে জোর করছে না। তিনি বিতর্কের মাঝে হেসে বলেন, কল্পনা করুন, যদি পুরুষরা সন্তান জন্ম দিতে পারত, তাহলে নিশ্চয়ই পৃথিবী অনেক শান্ত থাকত। কারণ তখন তারা সন্তানের প্রতি একাগ্র হয়ে থাকত, যতদিন না শিশুটি বড় হয়। তিনি বলেন, পুরুষরা এই অসাধারণ অভিজ্ঞতা পেত না, যা মহিলাদের জন্য এক বিশেষ অনুভুতি—একটি জীবনের সৃষ্টি।

রানী মুখার্জি তাই মনে করেন, এই শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনশীলতা একেকজন নারীর জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা, যা পুরুষরা পায় না। তিনি নিজেকে একজন নারী হিসেবে খুবই গর্বিত বলে উল্লেখ করেন, এই অনুভূতিটা জীবনে কোনো কঠিন মূল্যে পরিবর্তন করবে না। তিনি প্রকাশ করেন, এই অভিজ্ঞতা মানবজীবনের সবচেয়ে কাছাকাছি আসার অনুভূতি—একটি জীবন যুক্ত করার আনন্দ।