০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঈদের আগেই পাইলট শুরু: ইমাম-পুরোহিতরা পাচ্ছেন মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট: ভোক্তারা দিচ্ছেন বেশি দাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এখনও করা হয়নি: জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারী অপসারণ, এক ঘণ্টার মধ্যে সিআইডি’র অর্থপাচার তদন্ত শুরু সোমবার ফ্যামিলি কার্ডের সংবাদ সম্মেলন, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৬ মার্চ দেশের খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন ঈদের ছুটির মাঝে ১৮ মার্চেও সরকারি ছুটি ঘোষণা হাইকোর্টে চার মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক খালেদা জিয়া পেলেন ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা, জাইমা রহমান গ্রহণ করলেন খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান

ইয়ামালের গোলে বার্সেলোনা আবারও পয়েন্ট লিড বাড়াল

কোপা দেল রের সেমিফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হারের ধাক্কা সামলে লা লিগায় ফিরে জয়ের ধারায় ফিরে এসেছে বার্সেলোনা। শনিবার রাতে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের মাঠ সান মামেসে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা ঘামঝরা এক ম্যাচে ১-০ গোলের জয় তুলে নেয়।

পুরো ম্যাচজুড়ে বিলবাও বার্সার রক্ষণভাগে একাধিক আক্রমণের ঢেউ তোলা সত্ত্বেও শেষ নিশ্বাসে জয়সূচক গোলে হাসি ফোটাল কাতালানরা। ৬৮তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে পেদ্রি গঞ্জালেসের নিখুঁত পাস দমে নিয়েই ডান ফ্ল্যাং থেকে বক্সে ঢুকেন লামিনে ইয়ামাল। অত্যন্ত সুনিপুণ শটিং অ্যাঙ্গেল তৈরি করে তার পরিচিত বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে গোলরক্ষককে বিফল করে দেন তিনি, এবং সেই একমাত্র গোল টানিয়ে আনে তিন অঙ্কের মূল্যবান তিন পয়েন্ট।

এই গোলটি চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৮ বছর বয়সী ইয়ামালের ১৯তম গোল, যা তার ধারাবাহিক ফর্মেরই একটি পরিষ্কার পরিচায়ক। এই জয়ে ২৭ ম্যাচে ৬৭ পয়েন্ট করে টেবিলের শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে বার্সেলোনা; চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে চার পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে।

হ্যান্সি ফ্লিক ম্যাচের শুরু থেকেই বড় পরিবর্তন এনেছেন, কারণ আগামী মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে নামা দরকার। দলটির সেরা তারকা রাফিনহা, পেদ্রি ও ফারমিন লোপেজকে তিনি ম্যাচের শুরুতে নামাননি—তারা ম্যাচের শেষ আধাঘণ্টার আগে মাঠে নামেননি বলে কোচ তাদের সংরক্ষিত রেখেছেন। তাদের বদলে শুরুর একাদশে ছিলেন মার্কাস র‍্যাশফোর্ড, মার্ক বার্নাল ও মার্ক কাসাদো। এছাড়া ইনজুরিতে থাকা জুলস কুন্দে ও আলেক্সান্দ্রো বাল্ডের অনুপস্থিতিতেই রক্ষণভাগ সামলান এরিক গার্সিয়া ও জোয়াও কানসেলো।

বিলবাও ম্যাচ জেতার জন্য বেশ কয়েকটি সুযোগ করে ফেললেও বার্সার দৃঢ় রক্ষণভাগ কোনো বড় ভুল করে দেয়নি। রিয়াল মাদ্রিদের আগের দিনের জয়ের কারণে দুই দলের পয়েন্ট ব্যবধান সাময়িকভাবে ১-এ নেমে এসেছিল, কিন্তু ইয়ামালের ওই একমাত্র গোলে আবারও চার পয়েন্টের স্বস্তিদায়ক লিড ফিরে পায় বার্সেলোনা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মহারণ শুরুর আগে এই জয়টি বার্সা শিবিরে আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলে মনে করছে দলীয় মহল। লা লিগার শিরোপা দৌড় এখন হ্যান্সি ফ্লিকের দলের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদের আগেই পাইলট শুরু: ইমাম-পুরোহিতরা পাচ্ছেন মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা

ইয়ামালের গোলে বার্সেলোনা আবারও পয়েন্ট লিড বাড়াল

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

কোপা দেল রের সেমিফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হারের ধাক্কা সামলে লা লিগায় ফিরে জয়ের ধারায় ফিরে এসেছে বার্সেলোনা। শনিবার রাতে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের মাঠ সান মামেসে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা ঘামঝরা এক ম্যাচে ১-০ গোলের জয় তুলে নেয়।

পুরো ম্যাচজুড়ে বিলবাও বার্সার রক্ষণভাগে একাধিক আক্রমণের ঢেউ তোলা সত্ত্বেও শেষ নিশ্বাসে জয়সূচক গোলে হাসি ফোটাল কাতালানরা। ৬৮তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে পেদ্রি গঞ্জালেসের নিখুঁত পাস দমে নিয়েই ডান ফ্ল্যাং থেকে বক্সে ঢুকেন লামিনে ইয়ামাল। অত্যন্ত সুনিপুণ শটিং অ্যাঙ্গেল তৈরি করে তার পরিচিত বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে গোলরক্ষককে বিফল করে দেন তিনি, এবং সেই একমাত্র গোল টানিয়ে আনে তিন অঙ্কের মূল্যবান তিন পয়েন্ট।

এই গোলটি চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৮ বছর বয়সী ইয়ামালের ১৯তম গোল, যা তার ধারাবাহিক ফর্মেরই একটি পরিষ্কার পরিচায়ক। এই জয়ে ২৭ ম্যাচে ৬৭ পয়েন্ট করে টেবিলের শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে বার্সেলোনা; চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে চার পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে।

হ্যান্সি ফ্লিক ম্যাচের শুরু থেকেই বড় পরিবর্তন এনেছেন, কারণ আগামী মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে নামা দরকার। দলটির সেরা তারকা রাফিনহা, পেদ্রি ও ফারমিন লোপেজকে তিনি ম্যাচের শুরুতে নামাননি—তারা ম্যাচের শেষ আধাঘণ্টার আগে মাঠে নামেননি বলে কোচ তাদের সংরক্ষিত রেখেছেন। তাদের বদলে শুরুর একাদশে ছিলেন মার্কাস র‍্যাশফোর্ড, মার্ক বার্নাল ও মার্ক কাসাদো। এছাড়া ইনজুরিতে থাকা জুলস কুন্দে ও আলেক্সান্দ্রো বাল্ডের অনুপস্থিতিতেই রক্ষণভাগ সামলান এরিক গার্সিয়া ও জোয়াও কানসেলো।

বিলবাও ম্যাচ জেতার জন্য বেশ কয়েকটি সুযোগ করে ফেললেও বার্সার দৃঢ় রক্ষণভাগ কোনো বড় ভুল করে দেয়নি। রিয়াল মাদ্রিদের আগের দিনের জয়ের কারণে দুই দলের পয়েন্ট ব্যবধান সাময়িকভাবে ১-এ নেমে এসেছিল, কিন্তু ইয়ামালের ওই একমাত্র গোলে আবারও চার পয়েন্টের স্বস্তিদায়ক লিড ফিরে পায় বার্সেলোনা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মহারণ শুরুর আগে এই জয়টি বার্সা শিবিরে আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলে মনে করছে দলীয় মহল। লা লিগার শিরোপা দৌড় এখন হ্যান্সি ফ্লিকের দলের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।